মেঘাচ্ছন্ন আকাশ তাপমাত্রা কমালেও কমবে না অস্বস্তি

Update: June 12, 2012 17:06 IST

নিম্নচাপ অক্ষরেখার প্রভাবে বায়ুমণ্ডলে ঢুকে পড়েছে প্রচুর মেঘ। আর সেকারণেই কিছুটা নামল দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রার পারদ। যদিও আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এই মেঘে বৃষ্টির আশা নেই। যার অর্থ, ভ্যাপসা গরম থেকে এখনই নিষ্কৃতি পাচ্ছেন না দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দারা।

দক্ষিণবঙ্গের ওপর দিয়ে সক্রিয় রয়েছে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা। যার জেরে মঙ্গলবার সকাল থেকেই বায়ুমণ্ডলে ঢুকে পড়েছে প্রচুর মেঘ। তাই দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই মঙ্গলবার সকাল থেকে আকাশ ছিল মেঘলা। তবে এই মেঘের বৃষ্টিপাতের ক্ষমতা না-থাকায় দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা ক্ষীণ। যদিও আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় পশ্চিমাঞ্চল-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই তাপমাত্রা অনেকটা কমেছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টায় বীরভূম, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ এই তিন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চারের ফলেই বৃষ্টি হতে পারে এই তিন জেলায়। আগামী ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহ জারি থাকবে।   

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।