গোটা বিশ্বের সঙ্গে কলকাতাতেও পালিত হল `অ্যাজমা দিবস`

Update: May 1, 2012 21:42 IST

গোটা বিশ্বে পালিত হল `অ্যাজমা দিবস`। রোগ সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে সারা বিশ্বের সঙ্গে মঙ্গলবার পথে নামল কলকাতাও। মানুষকে সচেতন করতে এদিন শহরের পথে নামেন স্কুলপড়ুয়া থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিত্‍সক। পরিসংখ্যান বলছে, ২০০৯ সালে সারা বিশ্বে প্রায় আড়াই লক্ষ মানু্ষের প্রাণ কেড়েছে অ্যাজমা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১০-এ অ্যাজমায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ কোটি মানুষ। সংখ্যাটা প্রতি বছরই বাড়ছে। অ্যাজমা থাবা বসিয়েছে শিশুদের ওপরও। ২০১১ সালের গ্লোবাল অ্যাজমা রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ২৪ কোটি শিশু এই রোগে আক্রান্ত। ভারতেও আক্রান্তের সংখ্যাটা নেহাত কম নয়। তথ্য বলছে, সংখ্যাটা ২ কোটি ৪ লক্ষেরও বেশি। ভারতে প্রতি ১২টি শিশুর মধ্যে একজন অ্যাজমায় আক্রান্ত।

বিশেষজ্ঞ চিকিত্‍সকদের মতে, অ্যাসমার অন্যতম কারণ বাতাসে দূষণের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া। রাতে কাশি, দমবন্ধ ভাব, নিঃশ্বাসে কষ্ট, বুকে চাপ অনুভব করা। চিকিত্‍সকরা বলছেন, এই ধরনের সমস্যা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।