বরানগরে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে গুলি, দুষ্কৃতী অধরা

Update: February 10, 2013 09:12 IST

বরানগরের গুলিচালনার ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিস। শনিবার দুপুরে বরানগরের আরসিআই বাজারে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় এক যুবককে গুলি করে দুস্কৃতীরা। আক্রান্তের পরিচিত কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হামলাকারীদের মধ্যে দুজনকে চিহ্নিত করেছে পুলিস। তবে কারও খোঁজ মেলেনি। উদ্ধার হয়নি হামলার অস্ত্রটিও।  

বারাসতের পর এবার বরানগর। প্রতিবেশী  কিশোরীকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে গুলি করল দুষ্কৃতীরা। শনিবার দিনেদুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বরানগরের আরসিআই বাজার এলাকায়। গুলি করার পরই সাইকেলে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। আক্রান্তের পরিচিত কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হামলাকারীদের মধ্যে দুজনকে চিহ্নিত করেছে পুলিস।

প্রতিবেশী যুবকের সঙ্গে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল ওই কিশোরী। জনবহুল আরসিআই বাজারে পৌঁছতেই নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে লক্ষ্য করে অশালীন মন্তব্য করে কয়েকজন যুবক। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করেন মঙ্গল সাহানি নামে ওই যুবক। তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। মঙ্গল সাহানির বাঁ হাতে গুলি লাগে।

প্রকাশ্যে গুলি চালানোর পরই সাইকেলে চেপে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। মঙ্গল সাহানিকে আরজি কর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  আপাতত তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিত্সকরা। ঘটনার প্রতিবাদে বরানগর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় কংগ্রেস।  

মঙ্গল সিং আরজি কর হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। আপাতত তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিত্সকরা। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।