মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো পরিচয়ে দুর্ব্যবহার, প্রতিবাদে বন্ধ চিড়িয়াখানা

Update: March 22, 2013 10:47 IST

বৃহস্পতিবার চিড়িয়াখানায় ঢুকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাইপো আকাশ ব্যানার্জির  ঘনিষ্ঠ পরিচয় দিয়ে আধিকারিকের কাছে চাকরির দাবি জানান এক ব্যক্তি। অভিযোগ, নীতেশ সিং নামে ওই ব্যক্তি চিড়িয়াখানার সেই আধিকারিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন।

ঘটনার প্রতিবাদে আজ দু`ঘণ্টার জন্য চিড়িয়াখান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্মী সংগঠন। যদিও যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ, সেই নীতেশ সিংকে বেশ কয়েকবার মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোর সঙ্গে দেখা গিয়েছে। 

গত বছরই দ্বিতীয় হুগলি সেতুর উপর কর্তব্যরত এক পুলিস কর্মীকে চড় মারার ঘটনা এবং বোটানিক্যাল গার্ডেনে ঢুকে পড়ার ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোর। সেই দুটি ঘটনাতেই আকাশ ব্যানার্জির সঙ্গে ছিলেন নীতেশ সিং।  

Post Your Comment

Total Comments:3

The west bengal cm proof he has been dishonest

bujte parlam naa..bangla ta... ``মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো পরিচয়ে দুর্ব্যবহার``...``মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাইপো আকাশ ব্যানার্জির ঘনিষ্ঠ পরিচয় দিয়ে আধিকারিকের কাছে চাকরির দাবি জানান এক ব্যক্তি``

ja korechhe bes korechhe, r o korbe, tate apner babar ki

  • swapan
  • Posted: 3/22/2013 11:26:50 PM

যে লোক নিজের মাতা পিতার দেওয়া নাম বলতে পারেনা ।বাবা মাকে অপমান করে নিজেকে একজন খুনি পরিচয় দেয় তার ত এই বিভাগে লেখা উচিত না। আপনার কথায় মনে হছে আপনি সোনার ছেলে আরাবুল,গার্দে রিচের ইকবাল।ধাপার দুলাল দাস আর কাউ(গরু) সমান ।

  • pradip
  • Posted: 3/23/2013 2:12:11 PM

স্বপন বাবু, এইসব সুপারি দের ওপর রাগ করবেন না। এরা হয়তো কিছু লেখাপড়াও করেছে, বাড়িতেও হয়তো খারাপ শিক্ষা পায় নি। কিন্তু পরে দেখেছে লোচ্চাগিরি না শিখলে এই আকাশ দের দলে সুবিধে করা যাবে না। তাই এমন করে..।একদিন হয়তো ভুল বুঝতে পারবে।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।