আখিইয়ো মোরুনো

Update: October 7, 2012 18:59 IST

জন্ম মেক্সিকোতে। স্পেনের তাপাস বারেও সমান জমজমাট। সনাতনী হিস্প্যানিক এই ডিশটিকে রান্না ঘরে আমদানী করে ফেলুন। মেক্সিকানরা খুব ঝাল খান। আপনি ঝালের পরিমানটা নিজের পছন্দ মতো কমিয়ে অথবা ওঁদের টেক্কা দিয়ে বাড়িয়ে নিতে পারেন।

কী কী লাগবে:

পৌনে এক কিলো মেটে
আমন্ড বাদাম-১৫টা
রুটি (টরটিয়া বা Tortilla)-১টা
রসুন-৬ কোয়া
একটা গোটা দারচিনি টুকরো করে রামে ভেজানো
লবঙ্গ-১টা
জিরে-১চিমটে
লঙ্কার গুঁড়ো-১ চা চামচ
নুন স্বাদমতো
তেল (জলপাই নিঃস্বৃত হলে চমৎকার)-১ টেবিল চামচ
জল-২ গ্লাস

কীভাবে বানাবেন:

শুকনো খোলায় বাদাম ও রুটি ভেজে গুঁড়ো করে রাখুন। একটা পাত্রে মেটে ভাজতে থাকুন। রসুন, লবঙ্গ, গোলমরিচ, জিরে, দারচিনি একসঙ্গে বেটে নিন। এর সঙ্গে রুটি আর বাদাম গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। প্রয়োজনে জলও দিন অল্প। এবারে ভাজতে থাকা মেটের সঙ্গে লঙ্কা গুঁড়ো মিশিয়ে কষতে থাকুন। আঁচ কমিয়ে নেবেন। গুঁড়ো মশলায় পোড়া না লেগে যায়। কষানো হলে আগে তৈরি করে রাখা মশলা এতে দিয়ে দিন। স্বাদ মতো নুন দিন। অল্প জল দিন। আঁচ কমিয়ে ঢেকে রাখুন যতক্ষণ না মাংস সিদ্ধ হয়।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।