অমৃতসরি ফিস

Update: October 12, 2012 13:30 IST

মাছে বাঙালির মোনোপলি, তাতে বিশেষ সন্দেহ নেই। তবে চিকেন, মাখন, পনিরের পঞ্জাবি রান্নাঘরে মাছের এক ব্রহ্মাস্ত্র লুকিয়ে আছে যা মাঝে মাঝেই বেশ জোরদার প্রতিযোগিতার মুখে ফেলে দেয় বঙ্গ রন্ধনশালাকে। স্বর্ণ মন্দিরের দেশ অমৃতসরের রান্নাঘর থেকে এক অভিনব মৎস্য পুরাণ এবার সোজা পাড়ি দিল বং হেঁসেলের উদ্দেশ্যে।

কী কী লাগবে

৮ টি ভেটলি ফিলে
ময়দা ( ২০০ গ্রাম)
১ টেবিল চামচ রসুন বাটা
১ টেবিল চামচ আদা বাটা
১ চা চামচ জোয়ান
১ টেবিল চামচ লাল লঙ্কা বাটা
১ টেবিল চামচ লেবুর রস
১টা ডিম
১০০ গ্রাম টক দই
পরিমাণ মত সর্ষের তেল
নুন( আন্দাজ মতন)

কীভাবে বানাবেন

ভাল করে মাছগুলো ধুয়ে সেগুলোকে ১.৫ ইঞ্চি কিউবের আকারে কেটে নিতে হবে। এরপর মাছের কিউব গুলোতে আদা, রসুন, লঙ্কা বাটা, আর লেবুর রস দিয়ে মাখিয়ে ২০ মিনিত রেখে দিতে হবে। আর একটি পাত্রে ময়দা, ডিম, দই, জোয়ান, নুন ও জল দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে তাতে ম্যারিনেটেড মাছ গুলো দিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিতে হবে। কড়াইতে তেল গরম করে তাতে মাছের টুকরো গুলো বাদামী করে ভেজে নিতে হবে। বর্ষার সন্ধেতে উপরে চাট মশলা ছড়িয়ে গরম চায়ের সঙ্গে অমৃতসরি ফিস। জাস্ট জমে যাবে।










Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।