গ্রহাণু আক্রমণে অবলুপ্ত না হলে আজও দেখা মিলত ডাইনোসরদের

ক্রেটাসিয়াস যুগে হারিয়ে যাওয়া ডাইনোসরের পরিবার আজও বেঁচে থাকতে পারত। কিন্তু প্রবল উল্কাপাতে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় ডাইনোসর প্রজাতি ।

Updated: Jul 28, 2014, 07:21 PM IST
গ্রহাণু  আক্রমণে অবলুপ্ত না হলে আজও দেখা মিলত ডাইনোসরদের

ক্রেটাসিয়াস যুগে হারিয়ে যাওয়া ডাইনোসরের পরিবার আজও বেঁচে থাকতে পারত। কিন্তু প্রবল উল্কাপাতে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় ডাইনোসর প্রজাতি । এমনই জানিয়েছেন এ্যাডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ববিদরা। তাঁদের মতে কয়েক হাজার লক্ষ বছর আগে বিধ্বংস উল্কাপাতে অবলুপ্ত ঘটে পৃথিবীর বিশালায়তন প্রাণী, না হলে বিবর্তনের মধ্যে আজও দেখা মিলত ডাইনোসরের টিকি।

এ্যাডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রখ্যাত জীবাশ্মবিদ স্টিভ ব্রুসেট জানান, 'মহাকাশ থেকে ধেয়ে আসা গ্রহাণু হল প্রধান কারণ ডাইনোসর হারিয়ে যাওয়ার। হঠাত পৃথিবীর বুকে ধেয়ে আসে উল্কা বৃষ্টি। যারফলে ডাইনোসরের বাস্তুতন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ে।' তিনি আরও জানান, 'অগ্ন্যুৎপাত, উল্কাবৃষ্টি প্রভৃতি কারণে উদ্ভিদকূল সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। ফলে তৃণভোজী জাতীয় ডাইনোসর, বিশেষত হর্ন ট্রিসেরাটপস, ডাক বিলড ডাইনোসরদের বেশি ক্ষতি হয়েছিল। '

প্রায় দেড় হাজার লক্ষ বছর আগে ডাইনোসর সভ্যতার বিস্তার হয়েছিল। বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন, তাদেরকে এক লক্ষ বছর সময় যদি দেওয়া হত অস্তিত্ব বাঁচানোর জন্য, তারা খুব সহজেই বিবর্তিত পরিবেশের সঙ্গে অভিযোজন করে ফেলত। কিন্তু প্রবল উল্কাপাতের ফলে পৃথিবীতে বাস্তুতন্ত্র পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়। সেইসময় প্রায় ৮০ শতাংশ প্রাণীর সম্পূর্ণ বিলুপ্তি ঘটে। তবে ব্রুসেটের মতে যদি ডাইনোসর আজ বেঁচে থাকত, তাহলে মানুষের অস্তিত্ব থাকত না।