মানুষের মতই অনুভূতির আদানপ্রদান করে বোনোবোরা

মানুষ বাঁদরেরই বংশধর ছোট বেলা থেকেই এই কথাটা শুনে শুনেই আমরা বড় হই। তার কিছুটা প্রমাণ দিয়ে বিজ্ঞানীরা জানালেন উন্নত প্রজাতির বাঁদর (এপ) জাতীয় প্রাণীরা মানুষের মতই নিজেদের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণে সক্ষম। মার্কিন গবেষকরা দেখেছেন আফ্রিকার অভয়ারণ্যের বোনোবোস ও তাদের বাচ্চাদের মধ্যেকার অনুভূতির আদানপ্রদান মানুষেরই মত।

Updated: Oct 15, 2013, 03:49 PM IST

মানুষ বাঁদরেরই বংশধর ছোট বেলা থেকেই এই কথাটা শুনে শুনেই আমরা বড় হই। তার কিছুটা প্রমাণ দিয়ে বিজ্ঞানীরা জানালেন উন্নত প্রজাতির বাঁদর (এপ) জাতীয় প্রাণীরা মানুষের মতই নিজেদের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণে সক্ষম। মার্কিন গবেষকরা দেখেছেন আফ্রিকার অভয়ারণ্যের বোনোবোস ও তাদের বাচ্চাদের মধ্যেকার অনুভূতির আদানপ্রদান মানুষেরই মত।
মার্কিনি জার্নাল `প্রসেডিং অফ দ্য ন্যাশানাল অ্যাকাদেমি অফ সায়েন্স`-এ প্রকাশিত একটি প্রবন্ধ অনু্যায়ী উচ্চপ্রজাতির বাঁদর শ্রেণীর প্রাণীদের সামাজিক অনুভূতিগুলির সঙ্গে মানুষের মিল পাওয়া যায়।
এমরি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ভিডিও রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে দেখিয়েছেন বোনোবোরা মানুষের মতই নিজেদের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করার সঙ্গে সঙ্গেই নিজেদের মধ্যেও অনুভূতির আদানপ্রদানে সক্ষম।
কঙ্গোর কিনহাসা অভয়ারণ্যে বোনোবোদের আচার আচারণ ভিডিও রেকর্ডিং করে দেখা গেছে বয়স্ক বোনোবোদের প্রতি তরুণদের সহানুভূতি মূলক আচরণ। এমনকী বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের অনুভূতির প্রকারভেদ বহুলাংশে মানুষেরই মত।
বোনোবোরা চুম্বন, আলিঙ্গনের মাধ্যমে পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে সৌহার্দ ও ভালবাসার আদান প্রদান করে। এমনকী কোন বোনোবোর মনখারাপ হলে তার সাথীরা তাকে সহানুভূতির সঙ্গে ছুঁয়ে যায়।
জিনগত ভাবেও মানুষের সঙ্গে প্রচুর মিল রয়েছে এই উচ্চপ্রজাতির বাঁদর জাতীয় প্রাণীদের।