ককিউটো

Update: December 25, 2012 11:29 IST

জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। আর ডিসেম্বর মানেই প্রতি সন্ধেয় অতিথি সমাগম। অফিস থেকে ফিরে রোজ রোজ নিত্তনতুন ককটেল বানানো সম্ভব? শিখে নিন ককিউটো। বেশ খানিকটা বানিয়ে জমিয়ে রাখুন। দিব্যি কেটে যাবে বেশ ক`টা সন্ধ্যা।


কী কী লাগবে:

নারকেল- ১টা
রাম- ১ বোতল
নারকেল দুধ- ১ ক্যান
ক্রিম অফ কোকোনাট- ১ ক্যান
ইভ্যাপোরেটেড/ ডিহাইড্রেটেড মিল্ক- আড়াই ক্যান
দারচিনি- ২টো কাঠি
কনডেন্সড মিল্ক- ১ ক্যান
বরফ কুচি

কীভাবে বানাবেন:

নারকেলের মাথায় ফুটো করে জল বের করে ছেঁকে নিন। এই জলটা আলা করে রাখবেন। ওভেন প্রিহিট করুন ৩৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে। একটা বেকিং ট্রেতে নারকেল রেখে ১৫ মিনিট বেক করুন। সাবধানে বের করে নরম তোয়ালে মুড়ে আলাদা করে রাখুন। একটু ঠান্ডা হলে খোলা থেকে শাঁস বের করে ঠান্ডা জলে ধুয়ে নিন। এবারে নারকেলের শাঁসটাকে মিহি করে কুড়িয়ে নিন। একটা বড় জারে নারকেল কোড়া, নারকেলের জল আর রাম মিশিয়ে রেখে নিন।

দারচিনি বাদে বাকি সব উপকরণের সঙ্গে এই মিশ্রণটি ভাল ভাবে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন। দুটি বড় জাগে সমান ভাগে ভাগ করে তাতে দারচিনি ভিজিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন দু`দিন। পরিবেশনের আগে ভাল করে নেড়ে নেবেন।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।