গোয়ান ফিস কারি

Update: October 8, 2012 13:12 IST

মাছের কথা বললেই জিভে জল এসে যায় বাঙালিদের। মত্সপ্রেমী হিসেবে তাদের সুনাম বা বদনাম বিশ্বজোড়া। তবে কোঙ্কনীদেরও মত্সপ্রেম বাঙালিদের থেকে কিছু কোন অংশে কম নয়। আরব সাগরের তীরে বেড়ে ওঠা কোঙ্কন উপকূলের মানুষদের মাছ ছাড়া চলে না একবেলাও। যারা প্রতিদিন বাঙালি রেসিপিতে মাছ রাঁধতে রাঁধতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, তারা স্বাদ বদলাতে এবার উঁকি মারতেই পারেন মহারাষ্ট্রের ছোট্ট শহরগুলির খাদ্যভাণ্ডারে।

কী কী লাগবে

সামুদ্রিক মাছ:- ১ কেজি (স্যামন, পমফ্রেট হলে ভালো)
তেঁতুল:- দেড় ইঞ্চি
পেঁয়াজ:- ১টা বড়
টমেটো:- ১টা বড়
শুকনো লঙ্কা:- ৭-৮টা
রসুন বাটা:- ২ চা চামচ
আদা বাটা:- ১ চা চামচ
নারকেল কোরা:- দেড় কাপ
ধনে গুঁড়ো:- ২ চামচ
জিরে গুঁড়ো:- ২ চা চামচ
হলুদ গুঁড়ো:- আধ চা চামচ
লাল লঙ্কা গুঁড়ো:- আধ চা চামচ
কাঁচালঙ্কার খোসা:- ২টো
তেল:- ২ টেবিল চামচ
গরম জল:- পরিমান মত
নুন:- স্বাদ মত

কীভাবে বানাবেন

তেঁতুল আধ কাপ গরম জলে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে কাথ বার করে নিন। এবারে তেঁতুলের কাথ, পেঁয়াজ, টমেটো, নারকেল কোরা, আদা, রসুন, শুকনো লঙ্কা মিক্সিতে দিয়ে একসঙ্গে পেস্ট করে নিন। ডেকচিতে তেল গরম করে মশলা বাটা ও কাঁচালঙ্কার খোসা দিয়ে ৫ মিনিট কষিয়ে নিন। ২ কাপ গরম জল দিয়ে (ঝোল বাড়াতে চাইলে জলের পরিমান বাড়িয়ে নেবেন), নুন দিয়ে ফোটাতে থাকুন। জল ফুটে গেলে মাছের টুকরো দিয়ে আঁচ বাড়িয়ে আরও ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। কখনই ডেকচি চাপা দেবেন না। হয়ে গেলে নামিয়ে নিয়ে গরম ঝুরঝুরে ধোঁয়া ওঠা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।












Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।