কাজু পনির মশালা

Update: November 14, 2012 17:24 IST

এটা সেটা দিয়ে নিজের ইচ্ছামতো নতুন কিছু রান্না করা আমার ছোটবেলার অভ্যাস। কোন এক টিভি চ্যানেলে দেখেছিলাম এই কাজু পনিরের রেসিপি। তারসঙ্গে নিজের পছন্দ মতো এদিক ওদিক করে বানিয়ে ফেললাম কাজু পনির মশালা। প্রথম বানিয়ে ছিলাম আমাদের ৪ বছরের বিবাহবার্ষিকীতে। তারপর থেকে বাড়ির যে কোনও অনুষ্ঠানের স্পেশ্যাল রেসিপি হিসেবে থাকেই এটা। আপনারাও বানিয়ে দেখতে পারেন।


কী কী লাগবে


পনির: ১৫০ গ্রাম
কাজু: আধ কাপ
পেঁয়াজ: ৩টে কুচোনো
টমেটো: ৩টে কুচোনো
রসুন: ৩কোয়া কুচোনো
আদা: একটা ছোট টুকরো কুচোনো
জল: ১ কাপ
তরমুজের বিচি: ৩ চা চামচ
পোস্ত: ১ চা চামচ
লাল লঙ্কা গুঁড়ো: আধ চা চামচ
দুধ: আধ কাপ
গরম মশলা: আধ চা চামচ
ধনেপাতা
তেল: ২ টেবিল চামচ

কীভাবে বানাবেন

পনির সোনালি করা ভেজে তুলুন। পনির ভাজা তেলেই কাজু ভেজে নিন। পেঁয়াজ বাদামি করে বেজে নিয়ে বেটে নিন। এবারে জলে টমেটো, আদা, রসুন একসঙ্গে দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। ঠান্ডা হলে একসঙ্গে বেটে নিন। তরমুজ বিচি ও পোস্ত দানা ২-৩ মিনিট একসঙ্গে ভিজিয়ে রেখে বেটে নিন। এবারে তেল গরম করে বাটা পেঁয়াজ আবার ভাজুন। লঙ্কাগুঁড়ো, পোস্তবাটা দিয়ে নাড়তে থাকুন। টমেটো বাটা দিয়ে তেল ছেড়ে আসা পর্যন্ত কষিয়ে নিন। অল্প অল্প করে দুধ মিশিয়ে নাড়তে থাকুন। ৩-৪ মিনিট রান্না করে নুন ও গরম মশলা দিন। ঝোল বাড়ানোর জন্য গরম জল ঢালুন। ফুটিয়ে নিয়ে ১০-১২ মিনিট ঢিমে আঁচে রান্না করুন। সবশেষে পনির আর কাজু দিয়ে আর একবার ফুটিয়ে নিয়ে আঁচ কমিয়ে ৫ মিনিট রান্না করে নামিয়ে নিন।

দেবশ্রী মণ্ডল, বেহালা ম্যান্টন












Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।