কাঁটা চচ্চড়ি

Last Updated: Thursday, September 27, 2012 - 14:48

বাঙালির রসনায় মাছের স্থান নিয়ে আলোচনা বাতুলতা প্রায়। ইলিশ থেকে শুঁটকি পর্যন্ত যে বাঙালির ব্যপ্তি, সেই বাঙালি যে মাছের কাঁটাকেও তার হেঁসেলে উচ্চাসনে বসাবে সেটা তো বলাই বাহুল্য। বাড়িতে যে কোনও বড় মাছের কাঁটার জোগান তো সব সময়েই থাকে। নিদেনপক্ষে একরকমের না হলেও ভিন্ন রকমের মাছের কাঁটা পাওয়াটা মোটেও কঠিন নয়। অতএব না জানিয়ে ভরদুপুরে বাড়িতে অথিতির হঠাৎ আগমন ঘটলে চটজলদি বানিয়েই ফেলা যায় কাঁটা চচ্চড়ি। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করলে অন্যরকম মেনুর স্বাদে অথিতি খুশ। সঙ্গে রাঁধুনীর রান্নার হাতযশের নিশ্চিত প্রশংসাটুকু উপরি পাওনা।
কী কী লাগবে
মাছের কাঁটা ( বড় সামুদ্রিক ভেটকি, ভাঙ্গর বা শোল, বোয়াল জাতীয় মাছের কাঁটা হলে ভাল। না থাকলেও কুছ পরোয়া নেহি। হাতের পাঁচ কাটাপোনাতো আছেই।)
ছোট চৌকো করে কাটা আলু
কুচো করে কাটা পেঁয়াজ
আদা বাটা
রসুন কুচি
কাঁচা লঙ্কা
অল্প হলুদ বাটা না থাকলে হলুদ গুঁড়ো
গোটা গরম মশলা
গুঁড়ো গরম মশলা
সর্ষের তেল
নুন (স্বাদ মতো)
অল্প একটু চিনি
কীভাবে বানাবেন

প্রথমে কড়াইতে তেল দিয়ে তেল গরম হলে তাতে সামান্য চিনি দিতে হবে (রঙের জন্য)। চিনি হালকা বাদামী রঙের হয়ে এলে আঁচ কমিয়ে তাতে প্রথমে গোটা গরম মশলা ফোড়ন দিতে হবে। এতে প্রথমে একে একে রসুন কুচি, আদা বাটা দিয়ে কষতে হবে। রসুনের গন্ধ নাকে এলেই পেয়াঁজ কুচি যোগ করতে হবে। পেয়াজ হাল্কা বাদামী হয়ে এলে এতে প্রথমে আলুর টুকরো আর তার সঙ্গে অল্প হলুদ বাটা দিয়ে পুরো মশলাটাই ভালো করে কষাতে হবে। আলু, পেঁয়াজ সহ মশলা তেল ছাড়তে শুরু করলে এতে কাঁটা গুলো দিয়ে দিতে হবে। সঙ্গে স্বাদ মতো নুন মেশাতে হবে। এরপর অল্প জল দিয়ে পুরো রান্নাটাকেই ঢিমে আঁচে হালকা হাতে নেড়ে যেতে হবে ততক্ষন যতক্ষন না আলু গুলো সিদ্ধ হচ্ছে। পুরো রান্নাটাই একটু ভাজা ভাজা শুকনো গোছের হবে। আলু সিদ্ধ হয়ে গেলে এতে গুঁড়ো গরম মশলা দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে। এরপর গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করলেই কেল্লা ফতে।



First Published: Thursday, September 27, 2012 - 16:57


comments powered by Disqus