লাবড়া

Update: October 28, 2012 16:01 IST

দুর্গাপুজো, জগদ্ধাত্রী, সরস্বতী বা লক্ষ্মীপুজো। পুজোর ভোগ মানেই খিচুরি আর লাবড়া। সঙ্গে গরম গরম বেগুনি। লাবড়া ছাড়া পুজো বাঙালি ভাবতেই পারে না। আর তাই লক্ষ্মীপুজোতেও যে সেই লাবড়াই মাত করবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। যদি এবছরই আপনার বিয়ে হয়ে থাকে, তাহলে অসাধরণ লাবড়া রেঁধে লক্ষ্মীপুজোতেই জিতে নিতে পারেন লক্ষ্মী বউয়ের খেতাবটা।

কী কী লাগবে

লাউ অথবা পেঁপে: ১ টা বড়
মিস্টিকুমড়ো: ১ ফালি
বেগুন: ২ টো
আলু: ২ টো
মিষ্টি আলু: ২ টো
ঝিঙ্গে ও পটল: ২ টো করে
নুন ও তেল: পরিমান মত
সর্ষে বাটা: ১ চা চামচ
চিনি: ১ চা চামচ
ঘি: ১ চা চামচ
কাঁচালঙ্কা: ৫-৬ টা

কীভাবে বানাবেন


সব তরকারি একই মাপে কেটে রাখুন। কড়াইতে তেল গরম করে পাঁচফোড়ন ও তেজপাতার সঙ্গে শুকনো লঙ্কা দিয়ে ফোড়ন দিন। সুন্দর গন্ধ বের হলে সবজিগুলো কড়াইতে দিয়ে নুন ও হলুদ দিতে হবে। হালকা আঁচে ঢাকা দিয়ে সব্দি সিদ্ধ হতে দিন। মাঝে মাঝে নাড়তে হবে। সব্জি সিদ্ধ হয়ে গেলে কাঁচা লঙ্কা দিন। নামানোর আগে ১ চা চামচ চিনি, ঘি ও সর্ষে বাটা দিয়ে ভাল করে নেড়ে নামিয়ে নিন।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।