মালপোয়া

সারা বছর দোকানের কেনা মিষ্টিতেই বাঙালি সন্তুষ্ট থাকলেও বিজয়ার সময়ে বাড়িতে বানানো খাঁটি বাঙালি মিষ্টির জন্যই মন কেমন করে। তার মধ্যে সবথেকে সহজেই যা বানিয়ে ফেলা যায় স্বাদেও সেটি অনায়াসেই টেক্কা দিতে পারে অন্য সবকিছুকে। চিনির রসে মাখামাখি হোক বা ভাজা, মালপোয়া বস্তুটি বড়ই উপাদেও। এর মায়া কাটিয়ে উঠতে পারেননি স্বয়ং লক্ষ্মীদেবীও। আর তাই লক্ষ্মীপুজোর ভোগেও মালপোয়ার স্থান চিরন্তন।

Updated: Oct 28, 2012, 04:22 PM IST

সারা বছর দোকানের কেনা মিষ্টিতেই বাঙালি সন্তুষ্ট থাকলেও বিজয়ার সময়ে বাড়িতে বানানো খাঁটি বাঙালি মিষ্টির জন্যই মন কেমন করে। তার মধ্যে সবথেকে সহজেই যা বানিয়ে ফেলা যায় স্বাদেও সেটি অনায়াসেই টেক্কা দিতে পারে অন্য সবকিছুকে। চিনির রসে মাখামাখি হোক বা ভাজা, মালপোয়া বস্তুটি বড়ই উপাদেও। এর মায়া কাটিয়ে উঠতে পারেননি স্বয়ং লক্ষ্মীদেবীও। আর তাই লক্ষ্মীপুজোর ভোগেও মালপোয়ার স্থান চিরন্তন।
কী কী লাগবে
চালের গুঁড়ো: পৌনে ১ কাপ
চিনি: ২ টেবিল চামচ
ময়দা: আধ কাপ
নুন: পরিমান মত
দুধ: পৌনে ১ কাপ
ঘি: ৩ টেবিল চামচ
রসের জন্য
চিনি: দেড় কাপ
জল: পৌনে এক কাপ

কীভাবে বানাবেন

দেড় কাপ চিনি পৌনে এক কাপ জলে মিশিয়ে ফুটিয়ে শিরা তৈরি করে ছেঁকে রাখুন। এবারে চালের গুঁড়ো, ময়দা, নুন, চিনি একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। দুধ ও ঘি একসঙ্গে মিশিয়ে চালের গুঁড়োর মিশ্রণের সঙ্গে হালকা ভাবে মেশান। ফেটাবেন না। ননস্টিক প্যান মৃদু আঁচে গরম করে ১ টেবিল চামচ গোলা দিন। বুদবুদ উঠলে উল্টে দিয়ে দু`পিঠ ভাল করে ভেজে নিন। ভাজা মালপোয়া চিনির শিরায় ভিজিয়ে ৩-৪ মিনিট পর তুলে নিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. You can find out more by clicking this link

Close