নারকেল নাড়ু ও তিলের নাড়ু

Update: October 28, 2012 13:49 IST

রাত পোহালেই লক্ষ্মীপুজো। আর নাড়ু ছাড়া লক্ষ্মীপুজো তো ঘট ছাড়া লক্ষ্মীরই সামিল। মা লক্ষ্মীকে বাড়িতে ঠাঁই দিলে পাতে যে নাড়ু চাই-ই-চাই। নারকেল নাড়ু, গুড়ের নাড়ু, তিলের নাড়ু, খই, মুড়কি সাজিয়ে না দিয়ে কি আর লক্ষ্মীপুজোর নৈবেদ্য সাজানো য়ায়! শুধু লক্ষ্মীপুজোই কেন। যতই মনভোলানো মিষ্টি, সন্দেশর বাজার হোক না কেন দশমী থেকে কালীপুজোর টানা পনরো দিনের বিজয়ার মরসুমেও অতিথির পাতে নাড়ু জায়গা করে নেবেই।

নারকেল নাড়ু

কী কী লাগবে


নারকেল কোরা: ১টি
ঘি: ১/৪ কাপ
এলাচ গুঁড়ো: ১/৪ চামচ
খেজুড়ের গুড়: ১ কাপ

কীভাবে বানাবেন

কড়াইতে ঘি গরম হলে নারকেল কোরা ও গুড় দিয়ে নাড়তে থাকুন। খেয়াল রাখতে হবে যেন কড়াইতে লেগে না যায়। আঁঠালো হয়ে এলে এলাচ গুঁড়ো দিয়ে নামিয়ে ফেলুন। গরম অবস্থায় গোল গোল নাড়ু পাকিয়ে নিয়ে ঠান্ডা করে কৌটোয় ভরে রেখে দিন।

তিলের নাড়ু

কী কী লাগবে

খোসা ছাড়ানো তিল ভাজা: আধ কাপ
নারকেল কোরা: ৪ কাপ
আখের গুড়: ১/৪ কাপ

কীভাবে বানাবেন

আখের গুড় আর নারকেল কোরা একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবারে কড়াইতে মাঝারি আঁচে গুড়-নারকেল মিশ্রণ নাড়তে থাকুন। আঁঠালো হয়ে এলে তিল দিয়ে নাড়তে থাকুন। নারকেল, গুড়, তিল ভালভাবে মিশে গেলে আগুন থেকে নামিয়ে ছড়ানো থালায় তেল মাখিয়ে মিশ্রণ ঢেলে দিন। নাড়ু পাকানোর সময় হাতে সামান্য জল মাখিয়ে নিন। তাহলে আঁঠা হবে না। গোল গোল নাড়ু পাকিয়ে খোলা হওয়ায় রেখে দিন। ভালভাবে জমাট বাঁধলে ঢাকনা দেওয়া কৌটোয় ভরে রেখে দিন।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।