নিরামিষ পাঁঠার মাংস

Update: November 9, 2012 12:43 IST

কালি পুজোর সময় পাঁঠা বলির রেওয়াজ বহু পুরনো। বলির পাঁঠা রান্না করার নিয়ম অবশ্য পেঁয়াজ, রসুন ছাড়া। যাকে বলা হয় নিরামিষ মাংস। পেঁয়াজ, রসুনের বদলে মাংসের ঝোলে পড়ত বিপুল পরিমানে বাটা মশলা। এখন পাঁঠা বলি রেওয়াজ চলে গেছে। তা বলে কি কালি পুজোয় পাঁঠার মাংস খাব না? নিশ্চয়ই খাব। তবে পুজোর দিনে অনেকেই চান পেঁয়াজ, রসুন ছাড়া নিরামিষ পাঁঠার মাংস করতে। তাদের জন্যই রইল এক্কেবারে খাঁটি বাঙালি নিরামিষ পাঁঠার মাংসের ঝোল।

কী কী লাগবে

পাঁঠার মাংস: ৫০০ গ্রাম
টক দই: ৫০ গ্রাম
হলুদ: ৪ চা চামচ
ধনে: ৬ চামচ বাটা
জিরে: ৬ চা চামচ বাটা
পোস্ত: ৮ চা চামচ বাটা
সর্ষে: ৪ চা চামচ বাটা
শুকনো লঙ্কা বাটা: ১ চা চামচ
নুন: আন্দাজ মতো
এলাচ: ২টো
লবঙ্গ: ২টো
দারচিনি: ২ টুকরো (মিহি করে বাটা)
তেজপাতা: ৩টে
তেল: পরিমান মতো

কীভাবে বানাবেন

মাংস এক বড় চামচ তেল, হলুদ আর টক দই দিয়ে ম্যারিনেট করে ৪ ঘণ্টা রেখে দিন। কড়াইতে তেল গরম হলে তেজপাতা ফোড়ন দিয়ে মাংস দিয়ে দিন। আঁচ কমিয়ে ঢাকা দিয়ে মাংস কষে নিন। জল বেরিয়ে শুকিয়ে গেলে গরম-মশলা বাদে বাকি সব বাটা মশলা দিয়ে ভালো করে কষতে হবে। মাংস নরম হয়ে গেলে নুন দিন। ঝোলের জন্য দু কাপ গরম জল দিতে হবে। এবারে আঁচ বাড়িয়ে ৫ থেকে ৭ মিনিট ফুটিয়ে নিয়ে মাংস গলে যাবার আগেই নামিয়ে ফেলতে হবে। এবারে একটা বড় হাতায় দু চামচ বাদাম-তেল দিয়ে তার মধ্যে গরম মশলা বাটা গরম করে মাংসের ঝোলে মিশিয়ে দিয়েই ঢাকা দিয়ে দিতে হবে যাতে গন্ধটা না ছড়িয়ে পড়ে।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।