স্নান সেরে ফিরতেই গায়ের রঙ হল গোলাপি! স্নান সেরে ফিরতেই গায়ের রঙ হল গোলাপি!

অ্যাবি সেনটন। ভদ্রমহিলা খুবই শৌখিন। থাকেন ইংল্যান্ডেই। পাশের শপিং মলে গিয়ে দেখেন নতুন প্রোডাক্ট এসেছে বাজারে। গোলাপি রঙের বল। এগুলো স্নানের সময় ফাটবে, আর আপনার স্নানকে এনে দেবে এক দুর্দান্ত ফ্যান্টাসি। বাথরুমে ঢুকে বেশ অনেকক্ষণ সময় ধরে স্নান তো করেছেন অ্যাবি। কিন্তু স্নান থেকে বেরিয়েই বুঝতে পারেন, খুবই সমস্যায় পড়ে গিয়েছেন তিনি। কারণ, তাঁর শরীর পুরো গোলাপি হয়ে উঠেছে। অবশ্য কোনও জ্বালা যন্ত্রণা অনুভব করেননি তিনি। সঙ্গে সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ওই গোলাপি শরীরের ছবি আপলোড করেন তিনি। আর পন্য প্রস্তুতকারক সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। প্রায় তিন দিন ধরে অ্যাবির গায়ের রঙ রয়েছে একই রকম। তাই খুব সাবধান।

কেন তরুণ প্রজন্ম ঝুঁকেছে এক গাল দাড়িতে! কেন তরুণ প্রজন্ম ঝুঁকেছে এক গাল দাড়িতে!

আগে মেয়েদের কাছে স্বপ্নের পুরুষ মানেই ছিল টল, ডার্ক অ্যান্ড হ্যান্ডসাম। আর অবশ্যই ক্লিন সেভ! কিন্তু দিন পাল্টেছে। বান্ধবী, সঙ্গীনী অথবা স্ত্রী যেমনই চান না কেন, দেশের যুবসমাজ এখন মজেছে দাড়ি-গোঁফে! হ্যাঁ, নিজেকে ক্লিন সেভ রেখে আর ঝকঝকে, তকতকে, সুন্দর-সুন্দরভাবের পুরুষ হিসেবে দেখতে চাইছে না আজকের ভারতীয় পুরুষরা। আপনিও কি তাই? এখন গাল ভর্তি দাড়িরই জামানা। এর কারণ কী? এই প্রশ্নের উত্তরে অনেক বিশেষজ্ঞই বলেছেন, 'আসলে একেকটা দশকে এক একটা স্টাইল ওঠে। মানুষ নিজেকে তেমনটাই দেখতে চায়। এই প্রজন্মে যাঁরা নতুন প্রজন্মের কাছে আদর্শ, তাঁরা বেশিরভাগই গালে দাড়ি রাখেন, তাই এমন।' ঠিকই ইদানিং, বলিউড মুভির নায়করাই হন অথবা ক্রিকেটাররা, সবাই কিন্তু এক গাল দাড়ি রেখেই মেয়েদের মন জিতছেন। আপনি কোনটা করছেন? একদম ক্লিন সেভ নাকি এক গাল দাড়ি?

সহজ কয়েকটা উত্তর দিয়ে বুঝে নিন নিজের সুপ্ত সত্ত্বাকে সহজ কয়েকটা উত্তর দিয়ে বুঝে নিন নিজের সুপ্ত সত্ত্বাকে

প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই দু ধরনের সত্ত্বা থাকে। এর মধ্যে এক ধরনের সত্ত্বা বেসিরভাগ সময়ই সুপ্ত অপস্থায় থাকে। এই সত্ত্বাকে আমরা খুব একটা পাত্তা দিই না। তবে একান্তে থাকার সময় আমাদের মনের মধ্যে ওই সুপ্ত সত্ত্বা জেগে ওঠে। তখন আমরা নিজেদের ঠিক-ভুল, খারাপ-ভালো সব কিছুই বুঝতে পারি। এমনকি জীবনের কাছ থেকে আমরা কি পেতে চাই তাও ঠিক করতে পারি সেই সময়। কিন্তু পরে আবারও এই সত্ত্বা মনের কোথাও লুকিয়ে পড়ে। তবে অনেক সময় এই সুপ্ত সত্ত্বা আমাদের একটা ভিন্ন মানুষ হতে বাধ্য করে। যেমন স্কুল, কলেজ অথবা অফিসে আমরা ভিন্ন মানুষ। আর যখন একান্তে থাকি তখন ভিন্ন মানুষ। আসলে একান্তে থাকার সময় আমাদের ভিতরের 'আমি' জেগে ওঠে। আমরা নিজেদের বুঝতে পারি। কিন্তু সকলের সঙ্গে থাকার সময় নিজেদের বোঝার সময় পাই না।