আগুন ডানার উড়ান- ১৯৩০-২০১৫

আগুন ডানার উড়ান- ১৯৩০-২০১৫

নেহাতই নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান। অল্প বয়সেই সংসারের বোঝা  কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। কিন্তু পড়াশোনা ছাড়েননি। পরম নিষ্ঠায় নিজেকে একটু একটু করে গড়ে তোলা সেই মানুষটিই পরবর্তীকালে হয়ে ওঠেন গোটা দেশের পথ প্রদর্শক।তামিলনাড়ুর রামেশ্বরমে এপিজে আব্দুল কালামের জন্ম ১৯৩০ সালের ১৫ অক্টোবর।বাবা জৈনুলাবেদিন, মা আসিয়াম্মা। অভাবের সংসারে ছোটবেলা আদৌ স্বাচ্ছন্দ্যে কাটেনি কালামের। সংসার চালাতে বিভিন্ন কাজ করেছেন। আবার পড়াশোনাতেও বরাবরই তিনি সেরা।তিরুচিরাপল্লীর সেন্ট জোসেফ কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পরও তৃপ্তি পাননি। পরের বছরই মাদ্রাজ ইনস্টিটিউট  অফ টেকনোলজিতে এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হন কালাম।

ফাঁসির পর মেমনের দেহ নাগপুর জেলেই কবর দেওয়া হবে, দেহ পাবে না পরিবার ফাঁসির পর মেমনের দেহ নাগপুর জেলেই কবর দেওয়া হবে, দেহ পাবে না পরিবার

ফাঁসির দিন যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে উত্তেজনা-বিতর্ক। ইয়াকুব মেমনের ফাঁসির ঘটনায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার কথা মাথায় রেখে নতুন সিদ্ধান্ত নিল জেল কর্তৃপক্ষ। ফাঁসি দেওয়ার পর ইয়াকুব মেমনের দেহ জেল চত্ত্বরেই কবর দেওয়া হবে। আগে ঠিক ছিল ফাঁসি দেওয়ার মেমনের দেহ তার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে..কিন্তু সেক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকছে। তাই মেমনের মৃতদেহ বাইরে বের না করে জেলের ভিতরই এক স্থানে কবর দেওয়া হবে। তবে শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারবেন মেমনের স্ত্রী ও মেয়ে। শোনা যাচ্ছে জেল কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আদালতে যেতে পারেন মেমনের আইনজীবী।

জঙ্গি হানায় রক্তাক্ত পঞ্জাব, মৃত অন্তত ১৩, উঠে আসছে আইএসআই, লস্কর যোগের তত্ত্বও জঙ্গি হানায় রক্তাক্ত পঞ্জাব, মৃত অন্তত ১৩, উঠে আসছে আইএসআই, লস্কর যোগের তত্ত্বও

আত্মঘাতী জঙ্গি হানায় রক্তাক্ত পঞ্জাবের গুরদাসপুর। গাড়ি,বাস,থানা হাসপাতালে নির্বিচারে গুলি চালাল জঙ্গিরা। বেপরোয়া হামলায় এখনও পর্যন্ত ১৩ জনের সাধারণ মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন এসপি সহ ৬ পুলিসকর্মীও। খতম দুই জঙ্গিও। ভোর পাঁচটা নাগাদ প্রথমে গুরদাসপুরে একটি বাস লক্ষ্য করে গুলি চালায় জঙ্গিরা। মারা যান তিন বাস যাত্রী। বাসটি পঞ্জাব থেকে জম্মু যাচ্ছিল। পরে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সেনার পোশাকে দীননগর থানায় ঢুকে পড়ে জঙ্গিরা। অতর্কিত হানায় থানার ভিতর থাকা ছয় পুলিসকর্মীর মৃত্যু হয়। মারা যান লকআপে থাকা তিন বন্দিও। গুলির লড়াইয়ে মারা যান গুরদাসপুরের SP বলজিত্‍ সিং।  জঙ্গিরা একটি গাড়ি হাইজ্যাক করে হামলা চালিয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেনার সঙ্গে লড়াইয়ে  দুজন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। দলে এক মহিলা জঙ্গিও রয়েছে।

পঞ্জাবের গুরদাসপুরে ভয়াবহ জঙ্গি হানা, মৃত অন্তত ১৩, আইএসআই যোগের সম্ভাবনা পঞ্জাবের গুরদাসপুরে ভয়াবহ জঙ্গি হানা, মৃত অন্তত ১৩, আইএসআই যোগের সম্ভাবনা

জম্মুর কাছে পঞ্জাবের গুরদাসপুরে আত্মঘাতী জঙ্গি হানা। জঙ্গিদের গুলিতে ইতিমধ্যেই ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। খবর অসমর্থিত সূত্রে। মৃত্যু হয়েছে এক জঙ্গিরও। এখনও চলছে পুলিস-জঙ্গি গুলির লড়াই। এপর্যন্ত ছয়৬ জন সাধারণ মানুষের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে দুই পুলিসকর্মীর দেহ। প্রথমে বাসে ও পরে থানা লক্ষ্য করে গুলি চালায় জঙ্গিরা। থানার পাশের একটি হাসপাতালেও হামলা হয় বলে জানা যাচ্ছে। জঙ্গি আক্রমণে প্রাণ হারান দুই রোগী। সকালে পাঠানকোট-দীননগর রেললাইন থেকে পাঁচটি আইইডি উদ্ধার হয়েছে। নাশকতার উদ্দেশ্যে জঙ্গিরাই সেগুলি রাখে বলে অনুমান। ঘটনার জেরে পাঠানকোটগামী সব ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।

 পঞ্জাবের গুরুদাসপুরে ভয়াবহ জঙ্গি হানা, মৃত অন্তত ১০ পঞ্জাবের গুরুদাসপুরে ভয়াবহ জঙ্গি হানা, মৃত অন্তত ১০

পঞ্জাবের গুরদাসপুরে সেনা ইউনিফর্মে জঙ্গিরা দিনানগর টাউনের একটি পুলিস স্টেশন আক্রমণ করল। সোমবার সকালের এই হামলায় নিহত হয়েছেন অন্তত ১০জন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আহত অন্তত ১০। এখনও পর্যন্ত থানার ভিতরে ঢোকা যায়নি। চার জঙ্গি এখনও থানার মধ্যেই রয়েছে। থানার মধ্যে এখনও কজন মারা গেছেন সে বিষয়ে কিছুই জানা যাচ্ছে না। থানায় হামলা করার আগে জঙ্গিরা অমৃতসর-পাঠানকোট হাইওয়েতে জম্মু-কাশ্মীর থেকে আগত একটি চলন্ত বাসেও হামলা চালায় বলে খবর। চার যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন গুরুদাসপুরের এসএসপি গুরপ্রীত সিং।