দশ বছরের কারাদণ্ড চৌতলার

Update: January 22, 2013 13:18 IST

বেআইনি ভাবে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে দিল্লির একটি আদালত হরিয়াণার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমপ্রকাশ চৌতলা এবং তাঁর পুত্র অজয় চৌতলাকে আজ দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল।

১৯৯৯- ২০০০-এ জুনিয়র বেসিক ট্রেনিং শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি করেন হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভারতীয় চৌতালা-সহ অন্যরা। জাল নথি দিয়ে নিয়োগ করা হয় ৩ হাজার ২০৬ জন শিক্ষক। গত ১৬ জানুয়ারি জাতীয় লোকদলের সুপ্রিমো চৌতালা ও তার পুত্র ছাড়াও ৫৩ জন কে এই মামলায় দোষী ঘোষণা করে আদালত। দোষীদের মধ্যে দুজন আই এ এস অফিসারও রয়েছেন। তাঁদেরও দশ বছরে কারাদণ্ড হয়েছে। বাকিদের তিন থেকে পাঁচ বছরের জেল হয়েছে। আদালত চৌতালাদের বিরুদ্ধে ষঢ়যন্ত্র, জালিয়াতি, জালনথি ব্যবহার সহ একাধিক ধারায় চার্জ গঠন করে সিবিআই।

এদিকে এদিন রোহিনী আদালত চত্বের ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান চৌতালার সমর্থকেরা। চৌতালার লোকজন ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল লোকর দলের হাজার আটেক সমর্থক আতালতের সামনে পথ অবরোধ করেন। পুলিসের সঙ্গে ঝামেলা জড়িয়ে পড়েন তারা। 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।