আজ নেতাজি জন্মজয়ন্তী

Update: January 23, 2012 09:54 IST

নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ১১৬তম জন্মদিবস আজ। দেশজুড়ে পূর্ণ মর্যাদার সঙ্গে পালিত হচ্ছে আজকের দিনটি। রেড রোডে আজ নেতাজি জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৩ জানুয়ারির পরিবর্তে ২১ জানুয়ারি মহাকরণে নেতাজি জন্মজয়ন্তী উদযাপন ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে প্রবল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী পালন নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু-সহ রাজ্যের বিরোধী নেতৃবর্গ।

বিমান বসুর দাবি, নেতাজি জন্মজয়ন্তী উদযাপন কমিটির তরফে দুপুর সওয়া বারোটায় ময়দানে নেতাজির মূর্তিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার দুপুর একটা পঁয়তাল্লিশ মিনিটের সময় দিয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। জন্মজয়ন্তী উদযাপন কমিটি নির্দিষ্ট সময়েই নেতাজি মূর্তির কাছে যাবে বলে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান জানিয়েছেন। ২৩ জানুয়ারি রেড রোডে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে সরকারি অনুষ্ঠানে তাঁদের যেভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা হাফিজ আলি সৈরানি।

অন্য দিকে ফরওয়ার্ড ব্লকের রাজ্য সম্পাদক অশোক ঘোষ নেতাজির জন্মমূহূর্তে রেড রোডে তাঁর মূর্তিতে মাল্যদানের আবেদন নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করে বলেছেন, ওই সময় মাল্যদানের অনুমতি না দেওয়া হলে তাঁরা সওয়া বারোটায় সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যারে নেতাজির মূর্তিতে মাল্যদান করবেন।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।