আজ পাহাড়ে বারো ঘণ্টার বনধ মোর্চার

Update: February 9, 2013 09:57 IST

লেপচা উন্নয়ন পর্ষদ গঠনের বিরোধিতায় আজ পাহাড়ে বারো ঘন্টা বনধের ডাক দিয়েছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। দার্জিলিং, কার্সিয়াং,কালিম্পং পাহাড়ের এই তিন মহকুমায় বনধ হবে। জিটিএ-র অন্তর্ভুক্ত সব এলাকায় বনধ হবে বলে জানিয়েছে মোর্চা নেতৃত্ব। 

বনধের জেরে পাহাড়ে অশান্তি রুখতে বাড়তি পুলিস মোতায়েন করা হয়েছে।  ট্রেন চলাচলে কোনও বাধা তৈরি করা হবে না বলে জানিয়েছে মোর্চা নেতৃত্ব। মোর্চা বনধ শুরুর আগে শুক্রবার রাতেই দার্জিলিং গিয়েছেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী গৌতম দেব।   মোর্চার বিরোধিতার মধ্যেই লেপচাদের আমরণ অনশনে শুক্রবার সামিল হয়েছেন আরও পাঁচশো জন লেপচাভাষী।  লেপচা উন্নয়ন পর্ষদের দাবিতে কালিম্পঙের ত্রিকোন পার্কে চলছে এই আমরণ অনশন কর্মসূচি।   
 

Post Your Comment

Total Comments:2

It is very unfortunate for the lepcha community that the GJMM a main political party of hill is against the lepcha development council for their political interest.The son of this hill Lepcha(RONG)is deprived in every field by other community and by the government due to their simpleness.Now when the present government is serious for the development of this community, the act of some political party of this hill is unacceptable.IS IT TIME TO RISE THE VOICE FOR LEPCHA LAND FOR THE ORIGINAL LAND HOLDER ?

gorkhaland hote deoa hobe na.supply komie dik sarkar.dakha jak cha r komla lebu nie kotodin andolon korte pare!

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।