ফের ব্যাটিং বিপর্যয়

Update: January 25, 2012 09:40 IST

অ্যাডিলেড টেস্টেও চাপের মুখে ভারত। অস্ট্রেলিয়ার বিশাল রানের বোঝা মাথায় নিয়ে খেলতে নেমে দ্বিতীয় দিনের শেষে ২ উইকেট হারিয়ে ৬১ রান তুলেছে ভারতীয় দল। এদিন অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেটে ৬০৪ রান তুলে ডিক্লেয়ার দেয়। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে জোড়া দ্বিশতরান করেন অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক আর রিকি পন্টিং। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগেই চলতি সিরিজে নিজের দ্বিতীয় দ্বিশতরান সেরে ফেলেন অসি অধিনায়ক ক্লার্ক। শেষপর্যন্ত ২১০ রানে উমেশ যাদবের বলে আউট হন তিনি। চতুর্থ উইকেটে ৩৮৬ রান যোগ করেন পন্টিং আর ক্লার্ক। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর টেস্টে নিজের ষষ্ঠ দ্বিশতরান করেন রিকি পন্টিং। ভারতের বিরুদ্ধে পন্টিংয়ের এটি তৃতীয় দ্বিশতরান। ২২১ রানে জাহিরের বলে আউট হন পন্টিং। ভারতের হয়ে ৩ উইকেট নেন আর অশ্বিন।

অ্যাডিলেডের সবুজ উইকেটে অসিদের সব উইকেট ফেলতে না-পারায় ভারতীয় পেসারদের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। যদিও এই দাবি খারিজ করে দিয়েছেন ইশান্ত শর্মা।

অস্ট্রেলিয়ার ৬০৪ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে ভারত। সেওয়াগ ১৮ ও দ্রাবিড় এক রানে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। এরপর সচিন তেন্ডুলকর ও গৌতম গম্ভীর দলের হাল ধরেন। সচিন ১২ ও গম্ভীর ৩০ রানে অপরাজিত আছেন।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।