সুকমা থেকে ফের ২ জনকে অপহরণ করল মাওবাদীরা

Update: May 15, 2012 20:10 IST

জেলাশাসক অ্যালেক্স পল মেননের অপহরণের এক মাস না কাটতেই ফের সুকমা থেকে ২ জনকে অপহরণ করল মাওবাদীরা। অপহৃতদের মধ্যে একজন স্থানীয় বিজেপি নেতাও রয়েছেন। পুলিসসূত্রে খবর, সোমবার সন্ধ্যায় বিজেপির সুকমা জেলা সম্পাদক মোচাকি জোগা বাসে করে বাড়ি ফিরছিলেন। বাস থামিয়ে তাঁকে অপহরণ করে মাওবাদীরা। অন্যদিকে ডর্নাপাল এলাকা থেকে এক ব্যবসায়ীকেও অপহরণ করেছে মাওবাদীরা। ইতিমধ্যেই তল্লাসি অভিযান শুরু করেছে পুলিস।

অন্যদিকে ঝাড়খণ্ডের সারান্ডার জঙ্গলে গোটা একটি ট্রেনকেই পণবন্দি করে নেয় মাওবাদীরা। রবিবার রাতে চক্রধরপুর ডিভিসনের চাইবাসার কাছে পোসাইতা স্টেশনে টাটা বিলাসপুর প্যাসেঞ্জারকে পণবন্দি করে মাওবাদীরা। তার আগে রেলের নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে একদফা গুলির লড়াইও চলে মাওবাদীদের। জানা গিয়েছে ট্রেনের ই়ঞ্জিনের সামনে একটি কৌটো বোমাও ঝুলিয়ে দেয় মাওবাদীরা। পরে সিআরপিএফ জওয়ানরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বোমা নিষ্ক্রিয় করার পর ট্রেনটি স্টেশন থেকে রওনা হয়।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।