তথ্য বদালোয় বিভ্রান্তি ছড়াল ২১ জুলাইয়ের কমিশনে

Update: January 8, 2013 23:34 IST

চরম বিভ্রান্তি তৈরি হল ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাইয়ের গুলি চালনার ঘটনায়। সেই সময়ের পুলিস কমিশনার এবং আরেক ডিসি-র দেওয়া বয়ানের পুরো উল্টো তথ্যই দিলেন আরেক ডিসি। মঙ্গলবার ওই ঘটনার তদন্তে গঠিত কমিশনে সাক্ষ্য দিতে এসে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেন সেই সময়কার ডিসি মুকুল সেনগুপ্ত।

একুশে জুলাইয়ের ঘটনার তদন্তে গঠিত কমিশনে ইতিমধ্যে সাক্ষ্য দিয়েছেন সেই সময়কার পুলিস কমিশনার তুষার তালুকদার এবং ডিসি সিদ্ধার্থ রায়। কমিশনারের তরফে বেশকিছু কাগজপত্রও জমা দেওয়া হয়। সেই তথ্য ও সিদ্ধার্থ রায়ের বয়ান অনুসারে সেদিন এক জায়গায় গুলি চালনার নির্দেশ দিয়েছিলেন সেই সময়কার ৩ নম্বর ব্যাটেলিয়নের ডিসি মুকুল সেনগুপ্ত। যদিও মুকুলবাবু এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
 
বিভিন্ন পদাধিকারীর তরফে কমিশনকে জানানো হয়েছিল, ওই ঘটনার একটি এক্সিকিউটিভ তদন্ত হয়। কিন্তু মুকুলবাবুর বক্তব্য, তেমন কোনও ঘটনার কথা তাঁর জানা নেই। স্বাভাবিকভাবেই শীর্ষ পুলিসকর্তাদের সাক্ষ্যে চরম বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।