২১ জুলাইয়ের প্রথম নথি জমা পড়ল কমিশনে

Update: July 26, 2012 21:04 IST

অবশেষে ২১ জুলাই কমিশনের কাছে প্রথম কোনও নথি পৌঁছল ওই ঘটনার। বুধবার হেয়ার স্ট্রিট থানার তরফে ওই নথি কমিশনে জমা পড়ে। হেয়ার স্ট্রিট থানার বর্তমান ওসি প্রদীপ দাম কমিশনে উপস্থিত হয়েছিলেন।

১৯৯৩ সালের একুশে জুলাইয়ের ঘটনায় হেয়ার স্ট্রিট থানায় ২ টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তার মধ্যে একটি মামলার তদন্তের দায়িত্ব ছিল গোয়েন্দা দফতরের। ফলে সেই মামলার কোনও নথি ওসি জমা দিতে পারেননি। অন্য মামলাটির যাবতীয় নথি তিনি এদিন কমিশনে জমা দেন। আদালতে এই মামলাটির নিষ্পত্তি হয়ে গেলেও কমিশনের কাছে যথেষ্টই গুরুত্ব রয়েছে। তবে এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে তাদের পক্ষে কোনও নথি খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়।

চলতি বছরের ২০ জুলাই ছিল ২১ জুলাইয়ের ঘটনায় গঠিত কমিশনের প্রথম শুনানির দিন। কিন্তু রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিবের অনুপস্থিতিতে মুলতুবি হয়ে যায় শুনানি। গত বছর ৪ নভেম্বর নতুন সরকারের তরফে ২১ জুলাইয়ের ঘটনায় এক সদস্যের তদন্ত কমিশন গঠিত হয়। দায়িত্ব দেওয়া হয় বিচারপতি সুশান্ত চ্যাটার্জিকে। ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই যুব কংগ্রেসের মহাকরণ অভিযানে পুলিসের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন ১৩ জন কর্মী। সেই ঘটনার তদন্তেই গঠিত এই কমিশন। প্রথমে কমিশনের মেয়াদকাল ৬ মাস থাকলেও পরে আরও ছমাস বাড়ানো হয়। স্বরাষ্ট্রসচিবকে ফের ডাকা হয়েছে আগামী ২২ অগাস্ট।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।