টুজি কাণ্ড: আজ হাজিরায় সিবিআই ডিরেক্টর

Update: February 12, 2013 10:32 IST

টুজি স্পেকট্রাম কাণ্ডে আজ যৌথ সংসদীয় কমিটির সামনে হাজিরা দেবেন সিবিআই ডিরেক্টর রঞ্জিত সিনহা এবং টেলিকম সচিব আর চন্দ্রশেখর। 

টুজি কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত ইউনিটেক সংস্থার এমডি সঞ্জয় চন্দ্রার সঙ্গে সিবিআইয়ের আইনজীবী এ কে সিংয়ের গোপন কথোপকথনের একটি টেপ হাতে এসেছে সিবিআইএয়ের। এরপরই সঞ্জয় চন্দ্রাকে আইনি সহযোগিতা করছেন এ কে সিং, এই অভিযোগও উঠতে শুরু করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে এ কে সিংকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছে সিবিআই।

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনার এবং কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রকেও বিষয়টি জানিয়েছেন সিবিআইয়ের ডিরেক্টর।

সূত্রের খবর, কথোপকথনের টেপটি মোট সতেরো মিনিটের। টুজি কাণ্ডের মতো একটি হাইপ্রোফাইল মামলায় খোদ সিবিআইএয়ের আইনজীবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীরাও। টুজি কাণ্ডে আজই শেষবারের মত সাক্ষ্যগ্রহণ করবে  যৌথ সংসদীয় কমিটি।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।