মুন্না ঘনিষ্ঠ তিনজনকে ২২ তারিখ অবধি পুলিসি হেফাজত

Update: February 16, 2013 09:18 IST

গার্ডেনরিচ কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়ায় ইকবাল ওরফে মুন্না ঘনিষ্ঠ তিনজনকে ২২ ফেব্রুয়ারি অবধি পুলিসি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিল আদালত। এর আগে ইকবালের এই তিন ঘনিষ্ঠদের গ্রেফতার করে সিআইডি। পরে তাদের আদালতে পেশ করা হয়।

ধৃতদের নাম চুড়ি ফিরোজ, মহঃ রাজ ও মহঃ শাকিল। বর্ধমানের রায়নার রেল কলোনী থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করে সিআইডি। রাতেই তাদের ভবানীভবনে নিয়ে আসা হয়।

ধৃতদের জেরা করে  অন্যতম অভিযুক্ত মহঃ ইকবালের সন্ধান মিলতে পারে বলে মনে করছে সিআইডি। বৃহস্পতিবার রাতভর তল্লাসি-অভিযানের পর শুক্রবার ফের গার্ডেনরিচ থেকেই তদন্ত শুরু করে সিআইডি। দিনভর তল্লাসির পর সন্ধে নাগাদ গোপনসূত্রে  ইকবাল ঘনিষ্ট তিন সঙ্গীর খবর পায় সিআইডি। জানা যায় বর্ধমানের রায়নায় ইকবাল ঘনিষ্ট তিন সঙ্গী চুড়ি ফিরোজ,মহঃ রাজ ও মহঃ শাকিল গা ঢাকা দিয়েছে। তল্লাসি চালিয়ে রায়নার রেল কলোনি এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। রাতেই ভবানীভবনে নিয়ে আসা হয় ধৃতদের। 

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে  ধৃত তিনজনকেই গার্ডেনরিচ কাণ্ডে  ঘটনাস্থলে দেখা গিয়েছিল। তৃণমূলের বড় নেতা না হলেও এলাকার নিচুতলার  তৃণমূল কর্মী হিসাবেই পরিচিত ধৃত চুড়ি ফিরোজ,মহঃ রাজ ও মহঃ শাকিল। গার্ডেনরিচ কাণ্ডে এসআই নিহত হওয়ার ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা ছিল ইকবাল ঘনিষ্ট তিন সঙ্গী। বর্ধমানের রায়না থেকে ভিন রাজ্যে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলেও সিআইডি সূত্রে জানা গেছে।

মঙ্গলবার ঘটনার পর পরই মেটিয়াবুরুজের বিচালি ঘাট জেটি থেকে নদী পার হয়ে হাওড়ার নাজিরগঞ্জে যায় এই তিনজন। সেখান থেকে তারা রওনা দেয় বর্ধমানে।  শুক্রবার দুপুরে সিআইডির স্পেশাল আইজি বিনীত গোয়েলের নেতৃত্বে আট জন অফিসারের একটি দল  দুপুরে ভবানী ভবন থেকে গার্ডেনরিচ থানায় পৌঁছয়। সেখান থেকে কলকাতা পুলিসের অফিসারদের সঙ্গে নিয়ে তাঁরা যান হরিমোহন ঘোষ কলেজের সামনে। মঙ্গলবার ঘটনার দিন কোথায় ছিল মোক্তারের বাহিনীর অবস্থান, মুন্নার দলবল কোথায় ছিল, পুলিসের ব্যারিকেড কোথায় ছিল, এসব নিয়ে খোঁজ-খবর করেন তাঁরা। ঘুরে দেখেন ঘটনাস্থল। সন্ধেয় গার্ডেনরিচকাণ্ডের কেস ডায়েরি নিতে লালবাজারে যায় সিআইডির টিম।







Post Your Comment

Total Comments:5

মুন্না কে যদি না পাওয়া যায় তবে ফিরাদকে ধরা উচিৎ । ফিরাদ ই মুন্নাকে গুন্ডা গিরি করতে সাহস জুগিয়েছে। কাটা বাঁড়া মুসলমানরা ভাল-মন্দ কিছু বোঝে না। শুধু জাত ভাই বোঝে । তৃণভোজীরা মুসল্মান্দের এত কিসের ভয় পায় । কাটা বাঁড়া দের ধরে হাজতে পুরে দেয় না কেন ?

While appriciating the role of the Kolkata Police, may hope all the culprits including all who are innvolved with this case get total & full punishment.

MANONIO R4AJYAPALER ``BOBBY HAKIMer BYAPERA JE BIBRITI DIYE CHILE TATE KORE VAROTIO DANDOBIDHI ANUJAI HAKIMKE AKHUNNI GREPTAR KORA UTCHIT.

MANONIO R4AJYAPALER ``BOBBY HAKIMer BYAPERA JE BIBRITI DIYE CHILE TATE KORE VAROTIO DANDOBIDHI ANUJAI HAKIMKE AKHUNNI GREPTAR KORA UTCHIT.

when`ll d main culprits b arrested? munna-hakim-ranjitshil!

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।