ভোটের প্রচারে তাক লাগাচ্ছে ত্রিমাত্রিক মোদী

Update: December 11, 2012 10:26 IST

গুজরাতে ভোটের প্রচারে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। গান্ধীনগরের স্টুডিওয়ে বসে তিনি বক্তৃতা দিচ্ছেন। আর, থ্রিডি প্রযুক্তির সাহায্যে  ৫৩টি জায়গায় প্রচারিত হচ্ছে তাঁর বক্তব্য। ভোটাররা দেখছেন মুখ্যমন্ত্রীর ত্রিমাত্রিক প্রতিবিম্ব। প্রযুক্তির কল্যাণে এই নকল মোদী একেবারে আসলের মতোই। নির্বাচনী জনসভা। বাঁদিকে, সশরীরে উপস্থিত নরেন্দ্র মোদী। ডানদিকে, তাঁর ত্রিমাত্রিক প্রতিবিম্ব। গুজরাট থেকে রজতশুভ্র মুখোটির বিশেষ প্রতিবেদন।

পোশাকি নাম থ্রিডি হলোগ্রাফিক প্রোজেকশন টেকনোলজি। প্রযুক্তির দৌলতে একইসময়ে একাধিক জায়গায় হাজির গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। প্রতিটি জনসভাতেই মানুষের ঢল।

অনেকে বলেন প্রচারই মোদীর সাফল্যের একটা বড় কারণ। সেই প্রচারকেই এ বার অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। প্রযুক্তির চমক চাক্ষুষ করতে জনসভায় হাজির হাজারো মানুষ। মোদী ম্যানিয়ায় আক্রান্ত প্রবীণ ভোটাররাও। কম সময়ে বহু মানুষের কাছে পৌঁছতেই এই থ্রিডি প্রচার। বলছে বিজেপি।

কংগ্রেসের অভিযোগ, জনগণের টাকায় ভোটের প্রচার করছেন নরেন্দ্র মোদী। যদিও, বিজেপি এ সবে পাত্তা দিতে নারাজ। পেশায় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী ২৪ বছরের মৌলিক ভগত নরেন্দ্র মোদীর এই থ্রিডি প্রচারের দায়িত্বে রয়েছেন। নিজের ওয়েবসাইট সহ বিভিন্ন সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটেও ভোটারদের কাছে পৌঁছতে চেষ্টার খামতি রাখছেন না গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।