বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, মৃত ৪

Update: November 10, 2012 10:00 IST

বেআইনি বাজি তৈরির কারখানায় বিস্ফোরণে মৃত্যু হল একই পরিবারের ৪ জনের। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার হিরাকুনিয়া গ্রামে। বিস্ফোরণে গোটা বাড়িটাই ভস্মীভুত হয়ে গিয়েছে। মৃতরা সকলেই মহিলা। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দু`জন। এলাকায় তল্লাশি শুরু করেছে পুলিস।

যদিও এখনও বাড়ির মালিকের খোঁজ মেলেনি। কালীপুজো বা দীপাবলীর সময় বাজির রমরমা কারবার। বহু জায়গাতেই বেআইনি কারখানায় চলে বাজি তৈরি। পূর্ব মেদিনীপুরের হিরাকুনিয়া গ্রামের ওই বাড়িতেও ছিল তেমনই একটি বেআইনি বাজি তৈরির কারখানা। শুক্রবার রাতে আচমকাই বিস্ফোরণ হয় সেখানে। ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়। ঘটনার সময় বেশিরভাগ মহিলারাই বাজির কারখানায় কাজ করছিলেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বিস্ফোরণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলও। জেলা পুলিস সুপারের নেতৃত্বে এলাকায় পৌঁছয় পুলিস বাহিনী।
 
বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন এক শিশুসহ দু`জন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাড়ির মালিকের খোঁজ মেলেনি। ঘটনাস্থলে ধ্বংসস্তুপ সরিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। এলাকা জুড়ে চলছে তল্লাশি। বিস্ফোরণের জেরে হিরাকুনিয়া সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।