জামিন পেয়েই সংসদে রাজা

Update: May 16, 2012 15:32 IST

টানা ১৫ মাস তিহার জেলে বন্দি থাকার পর গতকালই জামিন পেয়েছেন আন্দিমুথু রাজা। কিন্তু নিরর্থক বিশ্রামে সময় নষ্ট না করে বুধবার সকালেই লোকসভার অধিবেশনে হাজির হয়ে গেলেন নীলগিরির ডিএমকে সাংসদ। প্রত্যাশা মতোই সংসদের প্রবেশপথে তাঁকে ঘিরে ধরেছিলেন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। ১ লক্ষ ৭৬ হাজার কোটির টাকার স্পেকট্রাম কেলেঙ্কারি থেকে শুরু করে তিহারবাসের অভিজ্ঞতা নানা প্রশ্নই জানতে চাইছিলেন তাঁরা। কিন্তু বিনীতভাবে সংসদে অধিবেশনে সময়মতো যোগ দেওয়ার যুক্তি দিয়ে মিডিয়ার প্রশ্ন এড়িয়ে যান ডিএমকে`র দলিত নেতা।

প্রসঙ্গত, গতকাল দিল্লির পাটিয়ালা হাউসের বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক ও পি সাইনি ২০ লক্ষ টাকার দু`টি বন্ডের বিনিময়ে প্রাক্তন টেলিকমমন্ত্রীর জামিন আবেদন মঞ্জুর করে। তবে জামিন দিলেও সিবিআই আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, টুজি-মামলা চলাকালীন কেন্দ্রীয় টেলিকম মন্ত্রক বা তামিলনাড়ুতে যেতে পারবেন না এ রাজা। আদালতের এই নির্দেশের প্রতিলিপি পৌঁছনোর পর বিকেলেই তিহার জেল থেকে মুক্তি পান রাজা। কিন্তু সেখানেই মিডিয়া এমনকী নিজের দলীয় অনুগামীদের সঙ্গেও তেমন কথা না বলে গাড়িতে উছে নিজের দিল্লির বাসভবনে চলে যান তিনি।

Post Your Comment

Total Comments:1

It is India- well Raja now enjoy with all these treasures. Very shortly you will be freed from all these charges too. Don`t afraid of all these laws and justice. Nobody in Indian History Leader of your status have been uted for life imprisonment. Neither assets have been ceased. Please share some tips of your scams with us.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।