আইয়া

Update: September 28, 2012 19:48 IST

সম্প্রতি ট্রেলর রিলিজ হয়ে গেল পরিচালক সচিন কুন্দলকরের নতুন ছবি `আইয়া`। রানি এবার টক-ঝাল-মিষ্টির মোড়কে। দক্ষিনি ছবির নায়ক পৃথ্বী রয়েছেন রানির বিপরীতে। ইতিমধ্যেই ছবি বেশ কয়েকটি গান ব্লুটুর্থ, ইনফার্নেটে, ইনট্রানেটে ছড়াতে শুরু করেছে। ছবিতে দেখানো হয়েছে, মারাঠি মুলগি মীনাক্ষী প্রেমে পড়েছে তামিল অভিনেতা সূর্যের। এই ভাবেই এগিয়ে গিয়েছে গল্প। বলতে বাধা নেই ছবির গান গুলো নিতে একটু অসুবিধাই হচ্ছে। পাছে কেউ দেখে ফেলে! বিশেষ করে "ড্রিমম ওয়েকাপম..." রানিকে কুর্নিশ না জানিয়ে পারা যাবে না। যথেষ্টই সাহসী ও উচ্ছ্বোসিত রানি। দখবেন, মোবাইলে লুকিয়ে "ড্রিমম ওয়েকাপম" দেখতে গিয়ে যেন ধরা পড়ে যাবেন না। তাহলেই আইয়া।

এক ঝলকে

লিরিক্স: অমিতাভ ভট্টাচার্য
মিউজিক: অমিত ত্রিবেদী

গান গায়ক
১. "ড্রিমম ওয়েকাপম" সম্যা রাওহ ৩:৩১
২. "সাভা ডলার (লাভনি)" সুনিধি চওহান ৪:৪৯
৩. "আগ বাই" শালমলি খোলগাডে, মোনালি ঠাকুর ৪:২৫
৪. "মহেক ভি" শ্রেয়া ঘোষাল ৫:১৮
৫. "হোয়াট তু ডু" স্নেহা খানয়ালকর, অমিতাভ ভট্টাচার্য ৪:০৬
৬. "ওয়াকরা" অমিত ত্রিবেদী ৪:০৬

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।