আরুষি হত্যার রিপোর্ট, তলোয়ার দম্পত্তির আবেদনের শুনানি পিছল

Update: May 14, 2012 16:32 IST

আরুষি হত্যা মামলায় নূপুর তলোয়ার এবং রাজেশ তলোয়ারের তথ্য পাওয়া সংক্রান্ত আবেদনের শুনানি আগামী ১৬ মে পর্যন্ত স্থগিত রাখল গাজিয়াবাদ আদালত। এই হত্যাকাণ্ডে উত্তরপ্রদেশ পুলিস এবং সিবিআই তদন্ত সংক্রান্ত সিডি এবং নথিপত্র চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন তলোয়ার দম্পতি। গত ১১ই মে, তলোয়ারদের আইনজীবী আদালতে অভিযোগ করেন, এই মামলায় সিবিআই সমস্ত নথি দেয়নি অভিযুক্তপক্ষকে। সিবিআইকে সমস্ত রকম তথ্য দিতে নির্দেশ দেয় আদালত।

গাজিয়াবাদ আদালতের কাছে তদন্তের ফোন কল সংক্রান্ত সিডি পাওয়ার জন্য একই আবেদন করেন তলোয়ার দম্পতিও। সেই আবেদনে তাঁরা উল্লেখ করেন, আরুষি-হেমরাজ হত্যা মামলায় উত্তরপ্রদেশ পুলিসের প্রথম তদন্তকারী অফিসারের রিপোর্ট এবং তাঁদের ফোন কলের রেকর্ডেরও তথ্য পাননি তাঁরা। শুক্রবার সিবিআইয়ের তরফে তলোয়ার দম্পতির এই আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করে আদালতে সওয়াল করা হয়। গাজিয়াবাদের অতিরিক্ত জেলা বিচারক শ্যাম লাল সোমবার এই মামলায় ফের শুনানির দিন ধার্য করেন। এদিন আদালতে সিবিআই কৌঁসুলি আর কে সাইনি জানান, সোমবারই উত্তরপ্রদেশ পুলিসের প্রথম তদন্তকারী অফিসার দাতারাম নউনেরিয়ার রিপোর্ট তলোয়ার দম্পতির হাকতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।