তলোয়ার দম্পতির বিরুদ্ধে শুনানি শুরু হবে ১১ মে

Update: May 9, 2012 13:10 IST

আরুষি-হেমরাজ হত্যা মামলায় আরুষির বাবা রাজেশ তলোয়ার ও মা নূপুর তলোয়ারের বিরুদ্ধে আগামী ১১ মে বিচার শুরু হবে গাজিয়াবাদ দায়রা আদালতে। বুধবার তলোয়ার দম্পতির আবেদন খারিজ করে এই ঘোষণা করে গাজিয়াবাদের বিশেষ আদালত।

তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের স্বপক্ষে আরও তথ্য প্রমাণের পেশের দাবিতে আদালতে আবেদন করেছিলেন তলোয়ার দম্পতি। এদিন সেই আবেদন খারিজ করে দেয় গাজিয়াবাদের বিশেষ আদালত। অন্যদিকে, আরুষি মামলায় নূপুর তলোয়ারের জামিনের আবেদনের শুনানি এদিন বিকেল পর্যন্ত স্থগিত রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। গত সপ্তাহেই ওই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। সকালে শুনানি শুরুর কথা থাকলেও শেষপর্যন্ত তা বিকেল পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় শীর্ষ আদালত।

প্রসঙ্গত, ২০০৮-এর মে মাসে নয়ডার একটি ফ্ল্যাটে ১৪ বছরের আরুষির দেহ উদ্ধার হয়। তার কয়েক ঘণ্টা পরেই উদ্ধার হয় বাড়ির পরিচারক হেমরাজের দেহ। এই জোড়া খুনের মামলায় আরুষির বাবা রাজেশ তলোয়ার ও নূপুর তলোয়ার জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ করে সিবিআই।












Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।