মুখোমুখি জুন্দল-কসাভ

Update: August 10, 2012 12:09 IST

মুম্বই হামলার তদন্তে আজমল কসাভ ও আবু জুন্দালকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করল পুলিস। মহারাষ্ট্র সরকারের অনুমতি নিয়ে বৃহস্পতিবার আর্থার রোড জেলে কসাভ ও জুন্দালকে মুখোমুখি বসিয়ে প্রায় দেড়ঘণ্টা জেরা করে পুলিস। জেরার সময় কসাভ ও জুন্দাল, দুজনেই পরস্পরকে শনাক্ত করেছে বলে জানিয়েছে পুলিস।

কসাভকে একটি বুলটপ্রুফ সেলে রাখা হয়েছিল। মুম্বই হামলা নিয়ে কসাভ ও জুন্দালের দেওয়া তথ্যে অসাম্য দূর করাই ছিল পুলিসের উদ্দেশ্য। কসাভ পুলিসকে জানিয়েছে, জুন্দালই তাদের হিন্দি শিখিয়েছিল ও মুম্বইয়ের বন্দর এলাকা সম্পর্কে তালিম দিয়েছিল। জুন্দালও কসাভকে ট্রেনিং দেওয়ার কথা স্বীকার করেছে। ২০০৮ সালের ২৩ নভেম্বর মুম্বই রওনা হওয়ার সময় কসাভ ও তার নয় সঙ্গীকে যারা করাচি বন্দর থেকে বিদায় জানিয়েছিল তাদের মধ্যে আবু জুন্দাল অন্যতম। যদিও জুন্দাল সেকথা অস্বীকার করেছে। লস্কর-এ-তৈবা ট্রেনিং ক্যাম্পে জুন্দাল, কসাভ ও অন্যান্যদের সঙ্গে একই ঘরে থাকত বলেও তদন্তে জানা গিয়েছে।

মু্ম্বই হামলা চলাকালীন পুলিসের হাতে ধরা পড়ে পাকিস্তানি জঙ্গি আজমল কসাভ। মুম্বই হামলার ষড়যন্ত্রকারী আবু জুন্দালকে সৌদি আরব থেকে ভারতে প্রত্যর্পণ করা হয়েছে। করাচির কন্ট্রোল রুম থেকে যারা মুম্বই হামলা পরিচালনা করেছিল তাদের অন্যতম আবু জুন্দাল।
 






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।