দিল্লি কাণ্ডের পরবর্তী শুনানি ক্যামেরার সামনে, এজলাসে নিষিদ্ধ সংবাদমাধ্যম

Update: January 7, 2013 09:25 IST

দিল্লি গণধর্ষণ এবং খুনের মামলাটির পরবর্তী সব শুনানিই পুরোটাই ক্যামেরার সামনে হবে। আজ সাকেতের জেলা আদালতে এই মামলার প্রথম দিনে এমনি নির্দেশ দিলেন ম্যাজিস্ট্রেট নম্রিতা আগরওয়াল। তার সঙ্গে সঙ্গেই মামলা চলাকালীন কোন সংবাদমাধ্যমের এজলাসের মধ্যে প্রবেশ নিষিদ্ধ করলেন তিনি।

আজ শুনানি শুরু হওয়ার অনেক আগে থেকেই এজলাস চত্বরে ব্যাপক ভিড় জমা হয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা ছাড়াও সেখানে এই মামলার সঙ্গে সম্পর্কহীন আইনজীবি সহ সাধারণ মানুষ জমা হন। ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়ে দেন যতক্ষণ না পর্যন্ত এই ভিড় সরছে তাঁর পক্ষে মামলা শুরু করা সম্ভব নয়। অতিরিক্ত ভিড়ের জন্য পুলিস আজ পাঁচ অভিযুক্তকে কোর্টে পেশ করতেই পারেনি।

মামলা চলাকালীন যাতে নিরাপত্তা কোনরকম বিঘ্নিত না হয় তাই চরম গোপনীয়তা অবলম্বন করা হয়েছে। সাকেট কোর্টের তরফ থেকে বলা হয়েছে অনুমতি ছাড়া মামলা চলাকালীন এই মামলা সংক্রান্ত কোন কাগজপত্র প্রকাশ্যে আনা যাবে না।


মেয়ের মৃত্যুর পর দিল্লির গণধর্ষণকাণ্ডে নিহত তরুণীর পরিবার এখন তাঁদের গ্রামের বাড়িতে। ঘটনায় ছ'জন অভিযুক্তের মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানিয়েছেন তরুণীর বাবা।

অভিযুক্তদের শাস্তির প্রতিবাদে গত ১৪ দিন ধরে অনশনরত রাজেশ গাংওয়ারকে রবিবার সন্ধ্যায় রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ২৪ ডিসেম্বর, দিল্লির যন্তর মন্তরে অনশনে বসেন উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা রাজেশ গাংওয়ার এবং বাবু সিং। বাবু সিং এখনও অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন।

দিল্লিকাণ্ডে প্রতিবাদ অব্যাহত। রবিবার হায়দরাবাদ এবং সেকেন্দ্রাবাদে ধর্ষণকাণ্ডের প্রতিবাদে মোমবাতি মিছিল করেন মহিলারা। বেঙ্গালুরুতেও প্রতিবাদে সামিল হন অসংখ্য মানুষ।







Post Your Comment

Total Comments:1

we want justice...hang these 6 rapist till death....

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।