রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আম্মার দরবারে আডবাণী

Update: June 14, 2012 15:55 IST

শাসক ইউপিএ জোটের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে বিজেপি শিবিরেও চলছে জোর তত্‍পরতা। আর এ ব্যাপারে ১১ নম্বর অশোক রোডের নীতি নির্ধারকদের মূল লক্ষ্য, এনডিএ জোট অটুট রেখে অন্যান্য অকংগ্রেস দলগুলিকে সঙ্ঘবদ্ধ করা। আজ চেন্নাইয়ে এআইএডিএমকে নেত্রী জয়ললিতার সঙ্গে দেখা করেন লালকৃষ্ণ আডবাণী। এনডিএ-র রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীকে সমর্থনের জন্য জয়ললিতাকে অনুরোধ করেন তিনি। রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে সহমতের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পক্ষপাতী বলে বিজেপির `লৌহপুরুষ`কে জানিয়েছেন জয়ললিতা।

তবে, এনডিএ শিবির এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদে কোনও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। ইউপিএ রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর নাম ঘোষণা করার পরই এনডিএ তাদের প্রার্থীর নাম জানাবে। এ সবের মধ্যেই, মেঘালয়ের এনসিপি নেতা পি এ সাংমাকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হিসাবে তুলে ধরার জন্য এখনও অনড় নবীন পট্টনায়েকের বিজু জনতা দল। এআইএডিএমকে সুপ্রিমো জয়ললিতা বা তেলুগু দেশম প্রধান চন্দ্রবাবু নাইডুও লোকসভার প্রাক্তন স্পিকারকে `রাইসিনা হিলের রেসে` সমর্থন জানাতে পারেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।