রাম সিংয়ের মৃত্যু: মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Update: March 11, 2013 10:07 IST

রাম সিংয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের সঙ্গে দেখা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীল কুমার শিণ্ডে। আজ সকাল ১১টা নাগাদ দু'জন বৈঠকে বসবেন বলে জানা গিয়েছে।

জেলের মধ্যে অস্বাভাবিক মৃত্যু হল দিল্লি গণধর্ষণ কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত রাম সিংয়ের। আজ সকালে তিহার জেলের কর্মীরা তিন নম্বর সেলে ঝুলন্ত অবস্থায় তার দেহ উদ্ধার করে। গরাদের গ্রিল থেকে ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেহটি উদ্ধার হয়। রাম সিংয়ের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য দীনদয়াল উপাধ্যায় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভোর পাঁচটা নাগাদ আত্মঘাতী হয়েছে রাম সিং। তিহার জেলের নিরাপত্তায় যে বড়সড় গলদ রয়েছে, এদিনের ঘটনায় তা সামনে এসেছে। গত ১৬ ডিসেম্বর দিল্লিতে চলন্ত বাসে এক তরুণীকে গণধর্ষণ করা হয়। ২৯ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। ওই বাসের চালক ছিল রাম সিং। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মূল অভিযোগ রয়েছে। আজ রাম সিংকে আদালতে পেশ করার কথা ছিল। আগে রাম সিংয়ের আইনজীবী গণধর্ষণ মামলা দিল্লি থেকে অন্যত্র সরানোর আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁর যুক্তি ছিল, দিল্লিতে রাম সিং সুবিচার পাবে না।

দিল্লি ধর্ষণ কাণ্ডে মূল অভিযুক্তের মৃত্যুর ঘটনায় ইতিমধ্যেই রিপোর্ট তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। হাই প্রোফাইল মামলায় প্রধান অভিযুক্ত রাম সিং কী করে জেলের মধ্যে মারা গেল, তিহার জেল কর্তৃপক্ষের কাছে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। জেল কর্তৃপক্ষের দাবি, তিন নম্বর সেলে আত্মঘাতী হয়েছে রাম সিং। জেল কর্তারা জানিয়েছেন, অন্য বন্দিরা দিল্লি ধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্তদের ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করায়, পাঁচজনকে পৃথক পৃথক সেলে রাখা হয়েছিল। তাদের সুইসাইড ওয়াচে রাখা হয়েছিল বলে দাবি করেছে জেল কর্তৃপক্ষ। তারপরেও কেন এমন ঘটনা ঘটল, তার সদুত্তর জেল কর্তারা দিতে পারেননি। রাম সিংয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে তিহার জেল কর্তৃপক্ষ। আজ সকালে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা তিন নম্বর সেল খতিয়ে দেখেন।






Post Your Comment

Total Comments:1

this exposes the shameless face of administration completely.infact,this issue should also be reffered to and tried by fast-track court.overall this is a blow to process of justice.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।