আজমের শরিফ পৌঁছলেন পাক প্রধানমন্ত্রী

Update: March 9, 2013 18:13 IST

বিদেশমন্ত্রী সলমন খুরশিদের সঙ্গে বৈঠক সেরে আজমের শরিফ পৌঁছলেন পাক প্রধানমন্ত্রী রাজা পারভেজ আশরফ। খাজা মইনুদ্দিন চিসতির উদ্দেশ্যে চাদর চড়াবেন আশরফ। আজ সকালে স্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীদের নিয়ে ভারত পৌঁছন পাক প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সম্মানে ভোজের আয়োজন করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী খুরশিদ। তবে পাক প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সফর হওয়ায়, দ্বিপাক্ষিক বষয়ে কোনও আলোচনাই হয়নি দু`জনের মধ্যে।

দুপুরের ভোজসভার এক অনুষ্ঠানে বিদেশমন্ত্রী জানান, "পদমর্যাদা অনুযায়ী আমরা তাঁর অভ্যর্থনা জানিয়েছি।" পাক প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সফর হওয়ায় বৈদেশিক বিষয়ে আলোচনা না হওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করেন খুরশিদও।

রাজা আশরফের ভারত সফরের ঠিক আগের দিন আপত্তি জানিয়েছেন খাজা মইনুদ্দিন চিশতির দেওয়ান। জাইনুল আবেদিন আলি খানের আপত্তির কারণটা ঠিক কী? সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীর সীমান্তে পাক সেনার হাতে দুই ভারতীয় জওয়ান নিহত হওয়ার পর, সে দেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে আসা উচিত নয় বলে মনে করছে আজমের শরীফ। আবেদিন সাহেব এদিন সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, শনিবার রাজা আশরফের প্রার্থনা অনুষ্ঠান বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। একদিকে পাক প্রধানমন্ত্রীর আজমের সফর নিয়ে ভারতও যখন প্রস্তুত, ঠিক তখনই রাজা পারভেজ আশরফের সফরে আপত্তি জানালেন খোদ আজমের শরিফের দেওয়ান।

পাক প্রধানমন্ত্রীর কড়া নিন্দা করা হয়েছে আজমের শরিফের পক্ষ থেকে। পাকিস্তান প্রশাসনের হাত `রক্তাক্ত` হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন আবেদিন সাহেব। এর আগে ভারতের বিদেশমন্ত্রী সলমন খুরশিদ জানান, পাক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক ভোজের অনুষ্ঠানে জয়পুরে উপস্থিত থাকবেন তিনি।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।