ইস্তফা দিলেন ডিএমকের মন্ত্রীরা

Update: March 20, 2013 10:36 IST

কালই ডিএমকে সুপ্রিমো করুণানিধি জানিয়ে দিয়েছেন সমর্থন প্রত্যাহারের কথা। গত কাল রাতেই টি আর বালুর নেতৃত্বে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা এবং সমর্থন প্রত্যাহারের চিঠি দিয়ে এসেছেন। আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে ইস্তফা দিলেন ডিএমকের পাঁচ মন্ত্রী। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ইস্তফা দেবেন দলের মোট ১৮ সাংসদ।

মঙ্গলবার রাতে রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রণব মুখোপাধ্যায়কে সমর্থন প্রত্যাহারের চিঠি দেন বালু। কংগ্রেসের কোর গ্রুপ মঙ্গলবার গভীর রাত পর্যন্ত বৈঠক করে। সূত্রের খবর, শ্রীলঙ্কা ইস্যুতে সংসদে প্রস্তাব আনার জন্য খসড়া তৈরি করছে কংগ্রেস। কিন্তু তাতে করুণানিধির দাবি মানা হবে কি না, তা জানা যায়নি।

তিস্তা নদীর জলবণ্টন নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের আঞ্চলিক স্বার্থের সঙ্গে ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক স্বার্থের সংঘাত রয়েছে। কিন্তু তার জন্য রাজনৈতিক সঙ্কট তৈরি হয়নি। কিন্তু শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি পুরো আলাদা। স্পেকট্রাম দুর্নীতিতে তাঁর প্রিয় আন্দিমুথু রাজা এবং কানিমোঝির হাতজবাসের পরেও, যে করুণানিধি কংগ্রেসের সঙ্গে শরিকি সখ্য রেখেছিলেন, ভোটের স্বার্থে এবার তিনিও সরে গেলেন।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।