হাওড়ায় ভোটের পরেও চলছে হামলা

হাওড়ায় ভোটের পরেও চলছে হামলা

হাওড়ায় ভোটের পরেও চলছে হামলা লোকসভা উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হওয়ার পরেও হামলার ঘটনা  হাওড়ায়। নির্বাচন কমিশনের মাইক্রো অবজার্ভার হিসাবে কাজ করায় হাওড়ার লিচুবাগানে হামলা হল এক যুবকের বাড়িতে। হামলায় রক্তাক্ত হলেন যুবকের মা। ভাঙচুর করা হয় আসবাবপত্র। রবিবার রাতেই তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল মহম্মদ সাইদ নামে ওই যুবকের চেম্বারে। বাম সমর্থক হওয়াতেই তাঁরা শাসকদলের হামলার শিকার, অভিযোগ আক্রান্ত হামিদা বিবির।

মহম্মদ সাইদ। এলাকায় হাতুড়ে চিকিতসক হিসেবে জনপ্রিয়। এলাকার স্কুলের শিক্ষকও তিনি। মাইক্রো অবজার্ভার হিসেবে শিক্ষিত এই সংখ্যালঘু যুবককে বেছে নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। দেওয়া হয়েছিল ক্যামেরা। নির্দেশ ছিল বুথে ভোটপর্বের ছবি তুলে পাঠাতে হবে কমিশনের দফতরে। রবিবার শক্ত হাতেই দায়িত্ব সামলেছিলেন সাইদ। সেকারণে সোমবার হামলা হল তাঁর বাড়িতে। সাইদকে না পেয়ে হামলাকারীরা ঝাঁপিয়ে পড়তে যায় তাঁর স্ত্রীর ওপর। বাধা দেওয়ায় রক্তাক্ত হলেন সাইদের মা ৫৭ বছরের  হামিদা বিবি। হামিদা বিবির অভিযোগ, বাম সমর্থক হওয়াতেই তাঁদের ওপর এই আক্রমণ।
 
হুমকি, ভয় দেখানো, মারধর করেও সংখ্যালঘু সমর্থন ধরে রাখতে পারেনি শাসক দল। সেকারণেই ফের সন্ত্রাসসৃষ্টির চেষ্টা। এমনই অভিযোগ একচল্লিশ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিআইএম কাউন্সিলর স্বপ্না ভট্টাচার্যের। হামলায় মূল অভিযুক্ত, স্থানীয় তৃণমূল নেতা মাসুদ আলম ওরফে গুড্ডুর বিরুদ্ধে নাজিরগঞ্জ তদন্তে কেন্দ্রে অভিযোগ দায়ের করেছেন সাইদের স্ত্রী। তৃণমূল নেতা এবং মন্ত্রী অরূপ রায়ের অবশ্য দাবি, দুই পরিবারের গোলমালের জেরে এই ঘটনা। এর সঙ্গে রাজনীতির যোগ নেই। অভিযুক্ত গুড্ডু হামলার সময় ঘটনাস্থলে ছিল না বলে দাবি করেছেন তিনি।
 

First Published: Monday, June 03, 2013, 23:26


comments powered by Disqus