নিজের পোষাকে ই-মার্কেটিং অগ্নিমিত্রার

Update: September 28, 2012 18:13 IST

আপনার যাবতীয় আবদার মেটাতে অগ্নিমিত্রা পল এবার ই-মার্কেটিং সাইটে। থ্রিসিক্সটিফাউভ অরেঞ্জেস ডট কম(365oranges.com)-এর হাত ধরে অগ্নি নিয়ে এলেন নিজের অনলাইন ফ্যাশন স্টুডিও। ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে পথ চলা শুরু করলেন অগ্নিমিত্রা।

এতদিন পর্যন্ত নিজের ডিজাইনে ক্লায়েন্টদের সাজিয়ে এলেও সাইটে অগ্নিমিত্রা নিজেই অবতীর্ণ হয়েছেন তাঁর পোষাকে। তবে অন্যান্য ই-মার্কেটিং সাইটের থেকে অনেকটাই আলাদা এই সাইট। "ডিজাইনারের স্টুডিওতে বসে নিজের পছন্দমতো ডিজাইন দেওয়ার অনুভূতি এই সাইট থেকে পাবেন ক্লায়েন্টরা"। এমনটাই জানালেন অগ্নিমিত্রা। শুধু তাই নয়। নিজেদের পছন্দ মতো পোষাকের রঙ বাছা, ডিজাইনের খুঁটিনাটি এদিক ওদিক করা, সবকিছুতেই স্বাগত ক্লায়েন্টরা। আপনার বাসনা অনুযায়ী অগ্নিমিত্রা সেই পোষাক বানিয়ে দেবেন শুধু আপনারই জন্য। আর সবথেকে মজার ব্যাপার হল, কিছু না কিনলেও শুধুমাত্র টিপস নিতেও এখানে অগ্নিমিত্রার দ্বারস্থ হতে পারেন আপনি। বিয়েতে কী পরবেন, কোন শাড়ি, কী রঙের, কেমন করে সাজবেন সেরকম হাজারও প্রশ্নের উত্তর দেবেন ডিজাইনার।
নিজের বিভিন্ন কালেকশনস থেকে এক্সক্লুসিভ ২০টি পোষাকের ডিজাইন আপলোড করেছেন অগ্নিমিত্রা। তার মধ্যে রয়েছে তাঁর লেটেস্ট কালেকশন মধুবনীও। কোটা, ইক্কত, বালুচরী, গাদোয়াল, সিল্ক, জর্জেট, কটন মিলিয়ে মোট ১০টি শাড়ি ও আনারকলি আর গাউনস মিলিয়ে আরও ১০টি পোষাক নিয়ে এই ডিজাইন সম্ভার। স্টুডিওর প্রাইস ট্যাগই এখানে রাখা হয়েছে। ৫ হাজার থেকে ৩০ হাজারের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে দাম। কলকাতা এবং পশ্চিবঙ্গের মধ্যে রয়েছে ফ্রি হোম ডেলিভারি সার্ভিসও।

এখানেই শেষ নয়। নিজের ডিজাইনের পাশাপাশি থ্রিসিক্সটি ফাইভ অরেঞ্জের সঙ্গে টি শার্ট কালেকশনও নিয়ে আসছেন অগ্নি। "মেক ইয়োর ওন টি শার্ট ডিজাইন উইথ অগ্নিমিত্রা"। গেঞ্জি মেটিরিয়ালের কুর্তি স্টাইলে ইউনিসেক্স টপ। যেখানে নিজেদের পছন্দমতো রঙ বেছে নিতে পারবেন ক্লায়েন্টরা। অগ্নির সঙ্গে আলোচনা করে নিজের পছন্দমতো ডিজাইন বা কাউকে গিফট করতে চাইলে বিশেষ মেসেজও লিখিয়ে নেওয়া যাবে কুর্তায়। আর সেই মেসেজ অগ্নি এমনভাবেই মোটিফের সঙ্গে মিশিয়ে দেবেন যে, যিনি উপহার দিচ্ছেন এবং যাঁকে দিচ্ছেন তিনি ছাড়া আর কেউ বুঝতে পারবেন না সেই গোপন বার্তা।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।