তেলেঙ্গানায় জগনমোহন রেড্ডির কনভয়ে পাথর তেলেঙ্গানা সমর্থকদের

Update: January 10, 2012 17:22 IST

ওয়াইএসআর কংগ্রেস নেতা জগনমোহন রেড্ডির কনভয় লক্ষ্য করে ফের পাথর ছুঁড়ে বিক্ষোভ দেখাল একদল তেলেঙ্গানা সমর্থক। সোমবার সকালে কৃষকদের জন্য অনশন করতে হায়দরাবাদ থেকে নিজামাবাদ যাচ্ছিলেন জগনমোহন। পথে তাঁর কনভয়কে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়ে একদল ব্যক্তি। শুধু পাথর ছোঁড়াই নয়, পৃথক তেলেঙ্গানা ইস্যুতে রাস্তার ধারে বিক্ষোভও দেখাতে থাকে তারা। জগনমোহনের সমর্থক ও প্রচুর পুলিসবাহিনীর উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপরই জগনমোহনের রুট পরিবর্তন করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা। ওয়াইএসআর কংগ্রেস সূত্রে খবর, তেলেঙ্গানা অঞ্চলের কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যার প্রতিবাদে দু-দিনের অনশন কর্মসূচিতে যোগ দিতে নিজামাবাদের আরমুর যাচ্ছিলেন জগনমোহন। তেলেঙ্গানায় জগনমোহন রেড্ডির উপর হামলা ও বিক্ষোভের আশঙ্কা ছিলই। এর আগে ২০১০-এও তেলেঙ্গানা অঞ্চলে জগনমোহনের কনভয়ে পাথর ছুঁড়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল একদল তেলেঙ্গানা সমর্থক। তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি বা টিআরএস ও তেলেঙ্গানার অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি ইতিমধ্যেই জানিয়েছিল, তেলেঙ্গানার বিষয়ে তাঁর অবস্থান স্পষ্ট না করলে তেলেঙ্গানায় কোনও বিক্ষোভ অবস্থান করতে দেওয়া হবে না জগনমোহনকে। জগনমোহনের বিষয়ে টিআরএস আগের থেকে কিছুটা সুর নরম করলেও কংগ্রেসের তেলেঙ্গানাপন্থী নেতারা কিন্তু জগনমোহনের বিষয়ে কড়া মনোভাব দেখিয়েছে। কংগ্রেসের তেলেঙ্গানাপন্থী নেতাদের বক্তব্য, জগনমোহন পৃথক তেলেঙ্গানার বিরোধী। তিনি কোনও দিনও তেলেঙ্গানার পক্ষে একটি কথাও বলেননি। তেলেঙ্গানাপন্থী সব কংগ্রেস নেতাদেরই উচিত তেলেঙ্গানা অঞ্চলে জগনমোহনের সফরের বিরোধিতা করা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।