ফিরিয়ে আনা হল এয়ার ইন্ডিয়ার যাত্রীদের

Update: July 9, 2012 19:34 IST

পাকিস্তানে আটকে থাকা এয়ার ইন্ডিয়ার যাত্রীদের ফিরিয়ে আনা হল দিল্লীতে। বিদেশমন্ত্রক সূত্রে জানান হয়েছে, এআই ৯৪০ ফ্লাইটের ১২২জন যাত্রী এবং ৬ জন বিমানকর্মী, সকলেই সুরক্ষিত রয়েছেন। যাত্রীদের ফিরিয়ে আনার জন্য দিল্লি থেকে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হয় একটি বিমান। সেই জরুরি বিমানেই ফিরিয়ে আনা হয়েছে যাত্রীদের।

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে আজই বিমান পরিবহন মন্ত্রী রিপোর্ট জমা দেবে বলেও মনে করা হচ্ছে। সোমবার দিল্লীতে এয়ার ইন্ডিয়ার মুখপাত্র বলেন " বিমানটি পাকিস্তানের আকাশে থাকাকালীনই পাইলট সংকেত পায় এবং তৎক্ষণাৎ অবতরণের জন্য অনুমতি চায়।" সবচেয়ে নিকটবর্তী বিমানবন্দর ছিল নবাব শাহ, তাই বিমানটি ঐ বিমানবন্দরেই নামানো হয়।
সোমবার সকালে আবু ধাবি থেকে দিল্লি আসার পথে বিমানের ৩টি হাইড্রলিক সিস্টেম বিকল হয়ে যায়। এরপরেই পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশেরটিতে নবাব শাহ বিমানবন্দের এয়ারবাস-৩১৯ বিমাটিকে জরুরি অবতরণ করানো হয়। ঘটনার পর থেকেই পাকিস্তানে ভারতীয় হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন বিদেশসচিব রঞ্জন মাথাই। পাক বিদেশসচিব জলিল আব্বাস জিলানির মাধ্যমে সে দেশের সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন তিনি। পাকিস্তানে ভারতের হাই কমিশনার শরথ সাবরওয়াল বিমানের চালকের সঙ্গে কথাবার্তাও বলেছেন বলে জানা গেছে। দিল্লি থেকে পাঠানো জরুরি বিমানেই ৮ জন ইঞ্জিনিয়ার-সহ বিকল বিমানটি মেরামতির জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও পাঠানো হয়েছে।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।