বিমানসেবিকার সুইসাইড নোটে নাম জড়াল হরিয়ানার মন্ত্রীর

Update: August 5, 2012 17:22 IST

দিল্লিতে এক বিমানসেবিকার আত্মহত্যার ঘটনায় জড়িয়ে পড়লেন হরিয়ানার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। গতকাল রাতে দিল্লির অশোক বিহারে নিজের ফ্ল্যাটে আত্মহত্যা করেন গীতিকা শর্মা নামের এক তরুণী। তিনি এমডিএলআর বিমানসংস্থার প্রাক্তন কর্মী ছিলেন। সুইসাইড নোটে গীতিকা ওই বিমানসংস্থার মালিক ও হরিয়ানার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গোপাল কান্ডাকেই তাঁর মৃত্যুর জন্য দায়ী করেছেন। পুলিস তাঁর বিরুদ্ধে মামলা শুরু করেছে।

দিল্লির অশোক বিহারে নিজের ফ্ল্যাটে শনিবার আত্মঘাতী হন বন্ধ হয়ে যাওয়া এমডিএলআর বিমানসংস্থার প্রাক্তন কর্মী গীতিকা শর্মা। সুইসাইড নোটে নিজের মৃত্যুর জন্য হরিয়ানার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও ওই বিমানসংস্থার মালিক গোপাল কান্ডাকেই দায়ী করেছেন গীতিকা।

গীতিকার পরিবারের অভিযোগ, ওই বিমানসংস্থা থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরেও ফের কাজে যোগ দেওয়ার জন্য তাঁর উপর চাপ দিচ্ছিলেন কান্ডা। কান্ডার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী ভূপিন্দর সিং হুডা।

আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে ইতিমধ্যেই কান্ডার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দিল্লি পুলিস।





Post Your Comment

Total Comments:1

মন্ত্রীর প্ররোচনা থাকলে তাকে অবশ্যই শাস্তি দিতে হবে।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।