অ্যান্ড দি অস্কার গোজ টু...

Update: February 25, 2013 11:41 IST

হলিউডের ডলবি থিয়েটারে শেষ হল এবছরের অস্কার। এক নজরে এবারের সেরা যাঁরা...


সেরা ছবি: আরগো

সেরা পরিচালক: অ্যাং লি, লাইফ অফ পাই

সেরা অভিনেতা: ড্যানিয়াল-ডে-লেইস, লিংকন

সেরা অভিনেত্রী: জেনিফার লরেন্স, সিলভার লিনিংস প্লেবুক

সেরা সহ অভিনেতা: ক্রিস্তোভ ওয়ালজ, জ্যাঙ্গো আনচেইনড

সেরা সহ অভিনেত্রী: অ্যানা হাথাওয়ে, লে মিজারেবেল

সেরা অরিজিনাল স্ক্রিনপ্লে: জ্যাঙ্গো আনচেইনড, কুয়েনটিন টারানটিনো

সেরা অ্যাডপটেড স্ক্রিনপ্লে: আর্গো- ক্রিস টেরিও (দ্য মাস্টার অফ দ্য ডিসগাইজ, অ্যান্তোনিও জে মেন্ডেজ ও গ্রেট এসকেপ, জোশুয়া জারমান)

সেরা অ্যানিমেটেড ফিচার: ব্রেভ

সেরা বিদেশি ভাষার ছবি: আমুর (অস্ট্রিয়া)

সেরা তথ্যচিত্র (ফিচার): স্ন্যাচিং ফর সুগার ম্যান

সেরা তথ্যচিত্র (শর্ট সাবজেক্ট): ইনোসেন্ট

সেরা লাইভ অ্যাকসন শর্ট ফ্লিম: কারফিউ

সেরা অ্যানিমেটেড শর্ট ফ্লিম: পেপারম্যান

সেরা অরিজানাল স্কোর: মাইকেল ড্যানা (লাইফ-অফ-পাই)

সেরা অরিজিনাল গান: `স্কাই ফল...`

সেরা সাউন্ড এডিটিং: পির হলবার্গ, কারেন বাকের ল্যানডেরস (স্কাই ফল); পল এন. জে. অটোসন (জিরো ডার্ক থার্টি)

সেরা সং মিক্সিং: অ্যান্ডি নেলসন মার্ক পিটারসন এবং সিমন হায়েস (লে মিজারেবেল)

সেরা প্রোডাকশন ডিজাইনিং: রিক কারটের এবং জিম এরিকসন (লিংকন)

সেরা সিনেমাটোগ্রাফি: ক্লডিও মিরান্ডা (লাইফ অফ পাই)

সেরা মেকআপ এবং হেয়ার স্টাইলিং: লিসা ওয়েস্টকট এবং জুলিয়ে ডার্টনেল (লা মিজারেবেল)

সেরা কসটিউম ডিজাইন: জ্যাকুয়েলিন ডুরেন (অ্যানা ক্যারেনিনা)

সেরা সম্পাদনা: উইলিয়াম গোল্ডেনবের্গ (আরগো)

সেরা ভিজুয়াল এফেক্ট: লাইফ অফ পাই

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।