এপিডিআরের চিঠি ফিরিয়ে বিতর্কে মুখ্যমন্ত্রীর দফতর

Update: January 18, 2013 19:14 IST

এপিডিআরের চিঠি ফেরাল মুখ্যমন্ত্রীর দফতর। সুঁটিয়া গণধর্ষণ কাণ্ডের প্রতিবাদ করায় খুন হতে হয়েছিল শিক্ষক বরুন বিশ্বাসকে। অভিযোগ, তার পরেও একের পর এক হামলার শিকার হচ্ছেন প্রতিবাদীরা। সে বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করে আজ চিঠি দিতে যায় এপিডিআর। অভিযোগ তাদের সেই চিঠি ফিরিয়ে দেয় মুখ্যমন্ত্রীর দফতর। মাত্র কয়েকমাস আগের কথা।

সুঁটিয়ায় গণধর্ষণের প্রতিবাদ করায় খুন হতে হয়েছিল মিত্র ইন্সটিটিউশনের শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসকে। হত্যাকাণ্ডের মূল আসামী গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু এখনও আতঙ্ক পিছু ছাড়েনি সুঁটিয়ার। কমেনি জমি মাফিয়াদের দৌরাত্ম। একের পর এক হামলা চলছেই। হামলার শিকার হচ্ছেন প্রতিবাদীরাও। শুক্রবার সে বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করে চিঠি দিতে যায় এপিডিআর। অভিযোগ সেই চিঠি ফিরিয়ে দেয় সিএমও।

স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে হতবাক এপিডিআর। সিএমও সূত্রে খবর, অভিযোগের চিঠি পড়েই তা ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনা কার্যত নজিরবিহীন।

মাত্র কয়েকমাস আগের কথা। সুঁটিয়ায় গণধর্ষণের প্রতিবাদ করায় খুন হতে হয়েছিল মিত্র ইন্সটিটিউশনের শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসকে। হত্যাকাণ্ডের মূল আসামী গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু এখনও আতঙ্ক পিছু ছাড়েনি সুঁটিয়ার। কমেনি জমি মাফিয়াদের দৌরাত্ম। একের পর এক হামলা চলছেই।  হামলার শিকার হচ্ছেন প্রতিবাদীরাও। শুক্রবার সে বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করে চিঠি দিতে যায় এপিডিআর। অভিযোগ সেই চিঠি ফিরিয়ে দেয় সিএমও।
 
 
স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে হতবাক এপিডিআর। সিএমও সূত্রে খবর, অভিযোগের চিঠি পড়েই তা ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনা কার্যত নজিরবিহীন।  






Post Your Comment

Total Comments:2

কেন এই আচরণ ? এর উত্তর দিতে একদিন তোমাকে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে-ই !

SAIRATANTRIK SASONER NAGNNO RUP PORISKAR VABE FUTE UTCHE.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।