শারীরিক অসুস্থতার জেরে হাসপাতেলে ভর্তি আরাবুল ইসলাম

Update: February 8, 2013 08:59 IST

বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় এবার জেল হাসপাতাল থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হল আরাবুল ইসলামকে। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে অ্যাম্বুলেন্সে স্থানান্তরিত করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাঙড়ের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের উচ্চ রক্তচাপের মাত্রাও কিছুটা বেড়েছে। তাই ঠিক  কতদিন আরাবুল ইসলামকে এসএসকেএম হাসপাতালে রাখা হবে, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।

জানা গেছে আদালতে তাঁর জামিনের আবেদন বারবার নাকচ হওয়ায় গত কয়েকদিন ধরে জেল হাসপাতালের খাবার বয়কট করছিলেন আরাবুল ইসলাম। তার জেরে আরও অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তেরোই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আরাবুলের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন এসিজেএম। ওইদিন ভাঙড়কাণ্ডের কেস ডায়েরি ও আরাবুলের পূর্ণাঙ্গ মেডিক্যাল রিপোর্টও আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।  

Post Your Comment

Total Comments:3

dada,taratari sustho hoye uthun ...ei kamana kori.

ARABULBHAI DUKHYO KORONA EBAR KINTU DIDI TOMAKE DEKHET JABEN.

rejjak mollar moto eio natok suru kore dilo..asusthather...

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।