জেল থেকে বেড়িয়ে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন আরাবুল

Update: March 1, 2013 20:22 IST

শর্তাধীন জামিনে ছাড়া পেয়েই দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন আরাবুল ইসলাম। চক্রান্ত করেই তাঁকে বিধানসভা নির্বাচনে হারানো হয়েছে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন ভাঙড়ের প্রাক্তন বিধায়ক। যে নির্দল প্রার্থী তাঁর বিরুদ্ধে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁকেই তৃণমূলের এক শীর্ষনেতা দলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ আরাবুলের। প্রশাসনের একাংশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে আদালতে যাওয়ার হুমকিও দিয়েছেন ভাঙড়ের প্রাক্তন বিধায়ক।

টানা ৪৩ দিন পর শুক্রবার শর্তাধীন জামিনে মুক্তি পেলেন আরাবুল ইসলাম। ঘটা করে সংবর্ধনার পর ঘটকপুকুরে  জনসভা। সেই সভাতেই দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যাবতীয় ক্ষোভ উগরে দিলেন ভাঙড়ের প্রাক্তন বিধায়ক। পুলিস-প্রশাসন, মিডিয়ার একাংশ এবং সিপিআইএম ষড়যন্ত্র করে তাঁকে গ্রেফতার করিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন আরাবুল ইসলাম। প্রশাসনের একাংশের বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
 
অনুগামীদের সঙ্গে ভাঙড়ে ফেরার পর আরাবুল পৌঁছে যান স্থানীয় বিডিও অফিসে। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান তিনি। তবে এদিনও বিতর্ক পিছু ছাড়েনি ভাঙড়ের প্রাক্তন বিধায়কের। ঘটকপুকুরের সংবর্ধনা মঞ্চে আরাবুলের সঙ্গে আগাগোড়াই ছিলেন ভাঙড় জলসাকাণ্ডে তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়া জেলা পরিষদ সদস্য মীর তাহের আলি। মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন মাইকে বক্তৃতা করতেও দেখা যায় আরাবুল ইসলামকে। 

জামিনে জেল থেকে ছাড়া পেলেও আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, চিকিত্সার প্রয়োজন ছাড়া কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স থানা এলাকায় ঢুকতে পারবেন না আরাবুল ইসলাম। ভাঙড়ের কাশীপুর থানা এলাকায় বাড়ি হওয়ায় অন্য থানা এলাকায় যেতে গেলেও তাঁকে নিতে হবে স্থানীয় থানা এবং তদন্তকারী অফিসারের অনুমতি।

ঠিক কি বলেছিলেন আরাবুল ইসলাম, শুনতে ক্লিক করুন এখানে






Post Your Comment

Total Comments:1

EDER JANNEY KARUNAO HOI NA. EKTA BISHOYE NISCHIT JE SATHIK SHIKKHAR BARO PROYOJAN AAJ. JADER SETA NEI TARA ETIHASER AASTAKURE HARIYE JAI.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।