হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন আরাবুল

Update: January 24, 2013 20:13 IST

আজ এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন আরাবুল ইসলামকে। সেক্ষেত্রে আজই তাঁকে আদালতে পেশ করার সম্ভাবনা রয়েছে। গত সপ্তাহে গ্রেফতার করা হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস নেতা আরাবুল ইসলামকে। কিন্তু হাসপাতালে ভর্তি থাকায় তাঁকে এখনও আদালতে তোলা যায়নি। রেজ্জাক মোল্লার ওপর আক্রমণের মামলায় জামিন পেলেও, বামনঘাটায় বামেদের মিছিলে হামলার ঘটনায় এখনও জামিন পাননি এই তৃণমূল নেতা।

১৭ জানুয়ারি আরাবুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছিল কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স থানার পুলিস। লকআপে থাকাকালীন বুকে ব্যথার অভিযোগ করেন তিনি। পরদিনই রাতে তাঁকে এসএসকেএমে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে হাসপাতলে চিকিত্‍সাধীন তৃণমূলের এই প্রাক্তন বিধায়ক। এরই মধ্যে রেজ্জাক মোল্লার ওপর আক্রমণের মামলায় জামিন পেয়েছেন আরাবুল। তবে বামনঘাটায় বামেদের মিছিলে হামলার ঘটনায় তিনি এখনও জামিন পাননি। কিন্তু হাসপাতাল থেকে ছাড়া না পাওয়ায় তৃণমূল নেতাকে আদালতে হাজির করানো যাচ্ছে না। বৃহস্পতিবার মেডিক্যাল বোর্ড শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আরাবুল ইসলামকে না ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তাঁর বমি হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন চিকিত্‍সকরা। স্বভাবতই এদিনও আরাবুল ইসলামকে পেশ করা যায়নি আদালতে।  

অন্যদিকে, কলকাতা হাইকোর্টে রেজ্জাক মোল্লার ওপর হামলা নিয়ে মামলার শুনানি ছিল বৃহস্পতিবার। রাজ্যের বাইরের কোনও নিরপেক্ষ সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করানোর দাবিতে মামলা করেছিলেন  রেজ্জাক মোল্লার ছেলে মুস্তাক আহমেদ। তবে বৃহস্পতিবার তাঁদের পক্ষ থেকে এই মামলায় নতুন করে আবেদন জানানোর আর্জি পেশ করা হয় বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের এজলাসে। আদালত এই আবেদন গ্রহণ করেছে। ফের নতুন করে মামলার আবেদন করা হবে।  






Post Your Comment

Total Comments:1

ato sala lakshman seth er moto natok kora suru korlo...

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।