অবশেষে জেল থেকে ছাড়া পেলেন আরাবুল

Update: March 1, 2013 13:57 IST

জেল থেকে আজই ছাড়া পেলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা আরাবুল ইসলাম। তেতাল্লিশ দিন পর গতকাল দশ হাজার টাকার বন্ডে বৃহস্পতিবার আরাবুল ইসলামের শর্তাধীন জামিন মঞ্জুর করে আলিপুর আদালত। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী,  চিকিত্সার প্রয়োজন ছাড়া কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স থানা এলাকায় ঢুকতে পারবেন না তিনি। 

ভাঙড়ের কাশীপুর থানা এলাকায় বাড়ি হওয়ায় অন্য থানা এলাকায় যেতে গেলেও তাঁকে নিতে হবে স্থানীয় থানা এবং তদন্তকারী অফিসারের অনুমতি। এর আগে আলিপুর এবং বারুইপুর আদালতে খারিজ হয় আরাবুল ইসলামের জামিনের আবেদন। বামনঘাটায় বাম মিছিলের ওপর হামলার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তৃণমূলের এই নেতাকে।    

Post Your Comment

Total Comments:2

Ma Marti manush Er armi

Ma Marti manush Er armi

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।